১৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ সন্ধ্যা ৬:৫১

যেভাবে ঈদের আনন্দ করতেন নবীজি ও সাহাবিরা

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ মঙ্গলবার, জুন ১৮, ২০২৪,
  • 388 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

রআমরা নবী কারিম সা. ও তার সাহাবিদের দেখিনি। দেখিনি তাদের জীবন কেমন ছিল। তবে হাদিসে নববী পড়েছি। জীবনী পড়েছি সাহাবিদের। মুসলিমদের আনন্দের দিন ঈদের দিন। ঈদের বিষয়েও তাদের থেকে শিখেছি অনেক কিছু। এ আনন্দের দিনটি কীভাবে পালন করতে হয়। কীভাবে উদ্‌যাপন করতে হয়। আমরা গল্পে গল্পে সাহাবিদের থেকে শুনেছি নবী (সা.)-এর ঈদ কেমন ছিল। ঈদের আনন্দঘন মুহূর্ত কীভাবে কাটিয়েছেন তারা।

হাদিসে নববীর দিকে তাকালে আমরা দেখি, ঈদের দিনে নবীজি সা. দিনে বের হয়ে দুই রাকাত ঈদের নামাজ আদায় করেছেন।

হাদিসে নববীর দিকে তাকালে আমরা দেখি, ঈদের দিনে নবীজি সা. দিনে বের হয়ে দুই রাকাত ঈদের নামাজ আদায় করেছেন।

বছরে মুসলমানদের সবচেয়ে আনন্দের দিন ঈদের দিন। বছর ঘুরে এ আনন্দ আর খুশির দিন আসে দুবার। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) ও সাহাবারা তাদের জীবনে দেখিয়েছেন এ দিনের গুরুত্ব। কীভাবে তারা ঈদ পালন করতেন। আর কীভাবে ঈদের দিন সময় কাটাতেন।

হাদিসে নববীর দিকে তাকালে আমরা দেখি, ঈদের দিনে নবীজি সা. দিনে বের হয়ে দুই রাকাত ঈদের নামাজ আদায় করেছেন (বুখারি ৯৮৯)। ঈদের দিন গোসল করার মাধ্যমে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অর্জন করাকেও নবীজি (সা.) গুরুত্ব দিয়েছেন। হজরত ইবনে উমর (রা.) থেকে বিশুদ্ধ সূত্রে বর্ণিত, ‘তিনি ঈদুল ফিতরের দিনে ঈদগাহে যাওয়ার পূর্বে গোসল করতেন’ (সুনান বায়হাকি ৫৯২০)।

হজরত আলী (রা.) থেকে বর্ণিত ‘সুন্নাত হলো ঈদগাহে হেঁটে যাওয়া’ (সুনান আত-তিরমিজি ৫৩৩)। পথে যাদের সাথে দেখা হবে, তাদের সালাম দেয়া ও ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করার জন্য যে পথে যাবে সে পথে না ফিরে অন্য পথে ফিরে আসা।

নবী কারিম (সা.) ও সাহাবিদের ঈদ সম্পর্কে জানতে আমাদের কাছে হাদিসের ভাণ্ডার রয়েছে। কত যে হাদিস বর্ণিত হয়েছে। এ হাদিসে নববীর মাধ্যমেই আমরা জানতে পারি কীভাবে তারা ঈদের দিন আনন্দে কাটাতেন। হাদিসে বর্ণনা করা হয়েছে, ‘নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদের দিনে পথ বিপরীত করতেন’ (বুখারি ৯৮৬)। ঈদুল ফিতরের দিনে ঈদের নামাজ আদায়ের পূর্বে খাবার খাওয়া উত্তম। হজরত বুরাইদা (রা.) থেকে বর্ণিত, ‘নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদুল ফিতরের দিনে না খেয়ে বের হতেন না।’

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) থেকে বর্ণিত, রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন ‘আল্লাহ রাব্বুল আলামিন তার বান্দার ওপর তার প্রদত্ত নিয়ামতের প্রকাশ দেখতে পছন্দ করেন’ (আল জামে ১৮৮৭)। ইবনুল কায়্যিম রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেছেন ‘নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুই ঈদেই ঈদগাহে যাওয়ার পূর্বে সর্বোত্তম পোশাক পরিধান করতেন’ (যাদুল মায়াদ)।

হজরত আবদুল্লাহ বিন সায়েব রাদি. থেকে বর্ণিত ‘আমি নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে ঈদ উদ্যাপন করলাম। যখন তিনি ঈদের নামাজ শেষ করলেন, বললেন আমরা এখন খুতবা দেব। যার ভালো লাগে সে যেন বসে, আর যে চলে যেতে চায় সে যেতে পারে’ (সুনান আবু দাউদ ১১৫৭)। ঈদের সময় বিভিন্ন আত্মীয়-স্বজনের খোঁজ-খবর নেয়া ও তাদের বাড়িতে বেড়াতে যাওয়ার বিশেষ সুযোগ তৈরি হয়। এ সম্পর্কে রসুলুল্লাহু (সা.) বলেছেন, ‘যে আখেরাতে বিশ্বাস করে, সে যেন আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখে’ (বুখারি ৬১৩৮)।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...
© All rights reserved © 2022
Developed By Engineerbd.net
EngineerBD-Jowfhowo