১৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ বিকাল ৫:১১

হাস্যরস করে মিথ্যা বলা কি গুনাহ?

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ বৃহস্পতিবার, জুন ২০, ২০২৪,
  • 394 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

হাস্যরস করে মিথ্যা বলা কি গুনাহ?

অনেকের গল্পের আসর জমে না বানোয়াট মিথ্যা গল্প ছাড়া। অন্যের মনোযোগ আকর্ষণের জন্য তারা মিথ্যা বলেন। কথায় মাধুর্য আনতে বা লোক হাসাতে ছলচাতুরির আশ্রয় নেন। বিষয়টা এমন পর্যায়ে গেছে, ইদানীং মিথ্যা বলে অন্যের মনোরঞ্জনের অসুস্থ প্রতিযোগিতা দেখা যায়। অবতারণা করতে দেখা যায়, নানা রকম রসাত্মক ঘটনা ও উপমার।

নিজের মনগড়া ব্যাখ্যা দাঁড় করিয়ে এভাবে মিথ্যা বলাকে বৈধও মনে করেন কেউ কেউ। অথচ রসিকতা কিংবা হাসি-খুশিতেও মিথ্যা বলা হারাম। তাই হাসি-রসিকতা করে মিথ্যা বলা উচিত নয়। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে আছে, নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,

আমি রসিকতা করি ঠিক; তবে সত্য ছাড়া কখনও মিথ্যা বলি না। (সহিহ আল-জামে ২৪৯৪)

আরেক হাদিসে হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করা হয়, একবার সাহাবায়ে কেরাম বললেন, ‘হে আল্লাহর রসুল, আপনিও তো আমাদের সঙ্গে রসিকতা করেন।’ তিনি বললেন, ‘আমি সত্য ছাড়া ভিন্ন কিছু বলি না।’ (তিরমিজি: ১৯৯০)

আবদুর রহমান ইবনে আবি লায়লা (রহ.) একটি হাদিস বর্ণনা করেন। তাতে বলা হয়: নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রসিকতা করে কাউকে ভয় দেখাতে নিষেধ করেছেন। আবদুর রহমান ইবনে আবি লায়লা সাহাবিদের থেকে বর্ণনা করেন, তারা নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সঙ্গে কোনো সফরে ছিলেন। তখন তাদের একজন ঘুমিয়ে পড়লে অন্য কেউ তার তীরটি নিয়ে নেন। পরে লোকটি ঘুম থেকে জাগ্রত হয়ে ভয় পেয়ে যান। এ দৃশ্য দেখে সবাই হেসে ওঠেন। তখন নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘তোমরা হাসলে কেন?’ তারা বলল, ‘এমনিতেই। তবে একজন তার তীরটি নিয়েছিলেন। আর এতেই তিনি ঘাবড়ে গেছেন।’ নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন বললেন, ‘কোনো মুসলমানকে অন্য মুসলমানের ভয় দেখানো বৈধ নয়।’ (আবু দাউদ: ৫০০৪)

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...
© All rights reserved © 2022
Developed By Engineerbd.net
EngineerBD-Jowfhowo