স্টাফ রিপোর্টার।। পরিবারের অসম্মতিতে বিয়ে করার অপরাধে মেয়ে ও মেয়ের জামাতাকে নাটকীয় ভাবে মেনে নিয়েও ফাতেমা ও তার দুই সন্তানকে একের পর এক নির্যাতন করে আসছেন তার মা জাহানারা জানু ও তালই বাদশা আকন।
জানা যায়, গত ২০২০ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি পাথরঘাটা উপজেলার চরদুয়ানী গ্রামের বাসিন্দা নাসির জমাদ্দারের মেয়ে ফাতেমা পার্শ্ববর্তী কাঠালতলী ইউনিয়নের বাসিন্দা আবুল হোসেনের ছেলে ও এশিয়ান টিভির সাবেক ফটোসাংবাদিক সোলায়মানকে ভালোবেসে বিয়ে করেন। প্রথমে ফাতেমার পরিবার তাদেরকে মেনে না নিলেও পরে নাটকীয়ভাবে তাদেরকে মেনে নেন। ফাতেমাকে তার পরিবার বাড়িতে ডেকে নিয়ে মেয়েকে দিয়ে মেয়ে জামাতার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেয়ার জন্য পাঁয়তারা করেন। সে দিতে অপারগতা স্বীকার করায় তাকে বেধড়ক মারধর করেন। পরে তাদের কোলে জন্ম নেয় দুটি ফুটফুটে কন্যা সন্তান। এরপর ফাতেমাকে হতে হয় একের পর এক ষড়যন্ত্রের শিকার। তার সাথে ফাতেমাকে সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার পায়তারা।
সে প্রতিবাদ করায় গত ৯ মে বেলা ১১ টায় তার মা জাহানারার নেতৃত্বে বাদশা আকন ও তার ছেলে হাসান আকন সহ অজ্ঞাত আরো ৫-৭ জন ফাতেমাকে উদ্দেশ্য করে এসিড নিক্ষেপ করে। এ সময় তার তিন বছরের শিশুকন্যা জাইমা দরজার সামনে গেলে সে এসিড দগ্ধ হয়। এ ঘটনায় ফাতেমা মামলা করার জন্য পাথরঘাটা থানার দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেরালেও থানায় মামলা নেননি ওসি বলে। কোন উপায় না পেয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেন।
তারই সূত্র ধরে ঘটনার দিন বৃহস্পতিবার (১৮জুন) দুপুর পৌনে ১২ টায় বাদশা ও জাহানারা বেগম জানু সহ অজ্ঞাত আরো ৫-৭ জন লাঠি সোটা নিয়ে তার উপর অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় রেহাই পাইনি তার কোলে থাকা দুই বছরের শিশু সন্তান সালাউদ্দিন। ঘটনার পর স্থানীয়রা আহত ফাতেমা ও তার সন্তানকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলামেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী ও সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন মহলে সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার।