স্টাফ রিপোর্টার।। বরিশাল বিমানবন্দর থানাধীন ধর্মাদি গ্রামে সুন্নতে খাতনা অনুষ্ঠানে সাউন্ড বক্স বাজানো কে কেন্দ্র করে মহিলা সহ একই ৭ পরিবারের জনকে কুপিয়েছে জাহাঙ্গীর মল্লিক ও তার সহযোগীরা।শুধু তাই নয় প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে জাহাঙ্গীর মল্লিক ও তার বোন তাসলিমা বেগম নাটকীয়ভাবে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) বিকেল ৪ টায় ফকির হাটখোলা নামক স্থানে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন ওই গ্রামের বাসিন্দা মৌসুমী,মা সমর্থবান,বাবা আব্দুল সত্তার মল্লিক, ভাগ্নে আল-আমিন, শহিদুল, ভাই ফিরোজ মল্লিক,ও বোন তানিয়া আক্তার। আহতরা শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
আহত সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী পরিবারের সাথে পার্শ্ববর্তী জাহাঙ্গীর মল্লিকের দীর্ঘদিন ধরে পূর্ব শত্রুতা চলে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় ঘটনার দিন শুক্রবার বিকেলে মৌসুমীর ছেলের সুন্নতে খাতনা অনুষ্ঠানে বক্স বাজালে পার্শ্ববর্তী জাহাঙ্গীর বাদা প্রদান করে। এ সময় সান বক্স বন্ধ বন্ধ করার পরও জাহাঙ্গীর অশ্লীল ভাষায় গালমন্দ করে।এ সময় মৌসুমী প্রতিবাদ করায় উত্তেজিত হয়ে জাহাঙ্গীর মল্লিক, হান্নান মল্লিক, রুদ্র মল্লিক,আলমগীর মল্লিক, রফিক,তাসলিমা, ও নাজমা সহ অজ্ঞাত আরো ২০-২৫ জন মৌসুমিকে হত্যার উদ্দেশ্যে চাইনিজ কুঠাল এবং জিআই পাইপ সহ দেশীয় অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। ডাক চিৎকার শুনে আব্দুস সাত্তর,আলামিন, শহিদুল,ফিরোজ, ও তানিয়া তাকে উদ্ধার করতে এগিয়ে আসলে তাদেরকেও কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করে। কোন উপায় না পেয়ে সে ৯৯৯ নাইনে ফোন করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি শান্ত করে। ঘটনার পর স্বজনরা আহতদেরকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে তাৎক্ষণিক শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। জরুরি বিভাগে ভর্তির পর পুনরায় জাহাঙ্গীর মল্লিক ও তার দলবল নিয়ে আহতদের উপর হামলা চালানোর চেষ্টা করে। এ সময় স্থানীয় জনতা ধাওয়া করলে তারা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। এ ব্যাপারে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে প্রধান উপদেষ্টা ও সেনাবাহিনীর কাছে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার।