১লা ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ রাত ৩:৫৯

ইসলামে যে ১৪ নারীকে বিয়ে করা হারাম

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ মঙ্গলবার, জুন ১৮, ২০২৪,
  • 293 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

ইসলাম মানবজাতির সুষ্ঠু বিকাশ ও সামাজিক সম্প্রীতি ধরে রাখার জন্য সুনির্দিষ্ট নীতিমালা দিয়েছে। আদর্শ রক্ষায় একজন পুরুষকে ১৪ নারীর যে কারও সঙ্গে বিয়ে করতে নিষেধ করেছে। এদের যে কোনো একজনের সঙ্গে বিয়ে হারাম ও অবৈধ। পবিত্র কোরআনের সুরা নিসার ২৩ থেকে ২৫ নম্বর আয়াতে আল্লাহ ১৪ জন নারীকে একজন পুরুষের জন্য বিয়ে করা হারাম ঘোষণা করেছেন। এই ১৪ জন নারী হলেন,

১. নিজের মা

২. দাদি, নানি ও তাদের ওপরের সবাই;

৩. নিজের মেয়ে, ছেলের মেয়ে, মেয়ের মেয়ে ও তাদের গর্ভজাত কন্যাসন্তান;

৪. সহোদর, বৈমাত্রেয় (সৎমায়ের মেয়ে) ও বৈপিত্রেয় (সৎবাবার মেয়ে) বোন;

৫. বাবার সহোদর বোন এবং বাবার বৈমাত্রেয় ও বৈপিত্রেয় বোন (ফুপু);

৬. যে স্ত্রীর সঙ্গে দৈহিক মিলন হয়েছে, তার পূর্ববর্তী বা পরবর্তী স্বামীর ঔরসজাত কন্যাসন্তান, স্ত্রীর আপন মা, নানি শাশুড়ি ও দাদিশাশুড়ি;

৭. মায়ের সহোদর বোন এবং মায়ের বৈমাত্রেয় ও বৈপিত্রেয় বোন (খালা);

৮. ভাতিজি অর্থাৎ সহোদর, বৈমাত্রেয় ও বৈপিত্রেয় ভাইয়ের মেয়ে ও তাদের পরের প্রজন্মের কন্যাসন্তানরা;

৯. ভাগনি অর্থাৎ সহোদর, বৈমাত্রেয় ও বৈপিত্রেয় বোনের মেয়ে ও তাদের পরের প্রজন্মের কন্যাসন্তানেরা;

১০. দুধ মেয়ে (স্ত্রীর দুধ পান করেছে এমন), সেই মেয়ের মেয়ে, দুধ ছেলের মেয়ে ও তাদের পরের প্রজন্মের কোনো কন্যাসন্তান এবং দুধ ছেলের স্ত্রী;

১১. দুধ মা এবং তার দিকের খালা, ফুপু, নানি, দাদি ও তাদের ঊর্ধ্বতন নারীরা;

১২. দুধবোন, দুধবোনের মেয়ে, দুধভাইয়ের মেয়ে এবং তাদের গর্ভজাত যে কোনো কন্যাসন্তান। অর্থাৎ, দুধ সম্পর্ককে রক্ত সম্পর্কের মতোই গণ্য করতে হবে;

১৩. ছেলের স্ত্রী;

১৪. অন্যের বৈধ স্ত্রীকে বিবাহ করা হারাম।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...
© All rights reserved © 2022
Developed By Engineerbd.net
EngineerBD-Jowfhowo