৫ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ বিকাল ৪:৫৭
শিরোনামঃ
ডা: অমলেন্দু ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে কর্মস্থলে অনিয়ম ও সরকারি দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ নলছিটিতে বৃদ্ধাকে কুপিয়ে হত্যা চেষ্টা’র অভিযোগ। বরিশালে পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হিজলায় ককটেল ফাটিয়ে রক্তক্ষয়ী হামলা! বিএনপির আহ্বায়কসহ ২০ নেতাকর্মী জখমের অভিযোগ কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে বরিশালে ফ্যাসিস্ট সিভিল সার্জনের অপসারণের দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। শেবাচিমে অটোরিকশা সহ চোর আটক  বানারিপাড়ায় বৃদ্ধার হাত ভেঙে দিয়েছে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের পুলিশ সদস্য মাসুদ ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী। শাপলা চত্বর হত্যার তদন্ত প্রতিবেদন প্রসিকিউশনের হাতে, প্রধান আসামি হাসিনা কীর্তনখোলার তীরে অবৈধ দোকানপাট,কাঁচা বাজার আড়ৎদারদের ভোগান্তি- ট্রাক পাকিং ব্যাহত” ঝুঁকিতে পথচারী কীর্তনখোলার তীরে অবৈধ দোকানপাট,কাঁচা বাজার আড়ৎদারদের ভোগান্তি- ট্রাক পাকিং ব্যাহত” ঝুঁকিতে পথচারী।

বরগুনায় ৩ হাজার কোটি টাকার তরমুজ বিক্রি

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ মঙ্গলবার, এপ্রিল ১৮, ২০২৩,
  • 412 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

ডেস্ক ॥ বরগুনায় চলতি মৌসুমে প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকার তরমুজ বিক্রি হয়েছে। রোজা ও তীব্র তাপদাহের কারণে তরমুজের চাহিদা বেশি থাকায় চাষিরা দামও বেশি পেয়েছেন। জেলায় উৎপাদিত তরমুজের ৯৫ শতাংশ এরই মধ্যে বিক্রি হয়েছে। এখনো অবিক্রিত রয়েছে পাঁচ শতাংশ তরমুজ ক্ষেত।

তবে অভিজ্ঞ চাষিরা প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারলেও নতুন চাষিরা ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারেননি। তাই তারা হারিয়েছেন তাদের মূলধন।

বরগুনা জেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, জেলায় এ বছর তরমুজ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ১১ হাজার ৫১২ হেক্টর। তবে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে জেলায় তরমুজ চাষ হয়েছে ১৫ হাজার ৮শ ৩৮ হেক্টর জমিতে। গত বছরের থেকে চলতি বছর জেলায় ৪ হাজার ৩২৬ হেক্টর বেশি জমিতে তরমুজ চাষ হয়েছে। জেলায় এ বছর মোট তরমুজ উৎপাদন হয়েছে ৬ লাখ ৯২ হাজার ৩২৫ মেট্রিক টন। যা বিক্রি হয়েছে প্রায় দুই হাজার ৮০০ কোটি টাকায়।

মৌসুমের মাঝামাঝি সময় বৃষ্টিতে প্রায় ৩ হাজার ৭২১ হেক্টর তরমুজ ক্ষেত তলিয়ে যায়। যার মধ্যে সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয় ৭১ হেক্টর জমির তরমুজ। আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয় ৮৬৬ হেক্টর তরমুজ ক্ষেত। অনেক চাষির ক্ষতি হলেও তরমুজের বাজারমূল্য ভালো থাকায় তারা তাদের লোকসান মিটিয়ে লাভের মুখ দেখেছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, জেলার স্থানীয় অভিজ্ঞ তরমুজ চাষিরা বৃষ্টির কারণে তেমন ক্ষতির মুখে পড়েননি। তারা তাদের পূর্বের অভিজ্ঞতা দিয়ে বৃষ্টির পানি নিষ্কাশন করে তরমুজ ক্ষেত স্বাভাবিক রেখেছেন। তবে বৃষ্টিতে বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছেন অন্য জেলা থেকে আসা তরমুজ চাষিরা। তারা এই অঞ্চলের আবহাওয়ার বিরূপ প্রভাবের প্রস্তুতি রাখেননি। তাছাড়া বৃষ্টির সময় অতিরিক্ত শ্রমিক প্রয়োজন পড়েছিল। তখন তারা শ্রমিক পাননি।

আমতলী উপজেলার গাজীপুর এলাকার তরমুজচাষি সোহেল মিয়া বলেন, এ বছর রৌদ্রের তাপ বেশি থাকায় তরমুজের দাম বেশি ছিল। তাই চাষিরা তরমুজের দাম ভালো পেয়েছেন। তবে অল্প কিছু সংখ্যক চাষি লোকসানের মুখে পড়েছেন। অনেকে আবার তাদের সম্পূর্ণ পুঁজি হারিয়েছেন। তবে তার পরিমাণ খুব সীমিত সংখ্যক।

সাতক্ষীরা থেকে তালতলী উপজেলায় তরমুজ চাষ করতে আসা ফরিদ উদ্দিন বলেন, আমরা দূর থেকে এখানে এসে তরমুজ চাষ করেছি। বৃষ্টিতে আমাদের সম্পূর্ণ পুঁজি হারিয়েছি। এর কারণ হলো এ অঞ্চলের উঁচু জমিগুলো স্থানীয় চাষিরা চাষ করেছেন। আমরা যে জমিতে চাষ করেছি তা স্থানীয়দের থেকে তুলনামূলক অনেক নিচু। তাই বৃষ্টিতে জলাবদ্ধ হয়ে ক্ষেত সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে।

আমতলী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সিএম রেজাউল করিম জাগো নিউজকে বলেন, বৃষ্টির কারণে তরমুজচাষির ক্ষতি কাটাতে আমরা বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দিয়েছি। সে কারণে তরমুজচাষিদের তেমন ক্ষতি হয়নি। পাশাপাশি রোজা ও তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে বেশি থাকায় চাষিরা ভালো দাম পেয়েছেন।

বরগুনা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আবু সৈয়দ মোহাম্মদ জোবাইদুল আলম বলেন, জেলায় এ বছর লক্ষ্যমাত্রা থেকে বেশি তরমুজ চাষ হয়েছে। এ বছর জেলায় দুই হাজার ৮শ কোটি টাকার তরমুজ বিক্রি হয়েছে। জেলায় উৎপাদিত তরমুজের ৯৫ শতাংশ বিক্রি হয়েছে। এখনো ৫ শতাংশ তরমুজ বিক্রি চলমান রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বরগুনার তরমুজ সুস্বাদু হওয়ার কারণে অন্যান্য অঞ্চলের থেকে চাহিদা বেশি থাকে। তাই চাষিরা বেশি দামে বিক্রি করতে পেরেছেন।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...
© All rights reserved © 2022
Developed By Engineerbd.net
EngineerBD-Jowfhowo