কীর্তনখোলার তীরে অবৈধ দোকানপাট,কাঁচা বাজার আড়ৎদারদের ভোগান্তি- ট্রাক পাকিং ব্যাহত” ঝুঁকিতে পথচারী।
।কীর্তনখোলার তীরে অবৈধ দোকানের দাপটে কাঁচা বাজার আড়ৎদারদের ভোগান্তি- ট্রাক পাকিং ব্যাহত” ঝুঁকিতে পথচারী। যেকোনো সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দূর্ঘটনা।
বরিশাল নগরীর কীর্তন খোলা নদী সংলগ্ন ডিসি ঘাট থেকে চরকাউয়া খেয়াঘাট এলাকায় ছোট্ট ছোট্ট
অবৈধ দোকান বসিয়ে পরিবেশ নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে এক শ্রেণির প্রভাব শালী ব্যাক্তির বিরুদ্ধে।
এবিষয়ে জানতে চাইলে সিটি মার্কেট কাঁচা বাজারের লেবার ইব্রাহিম সরদার, বলেন দোকান বসিয়ে রাস্তা দখল করে আবার ওপরে ত্রেপল লাগানোর কারনে
রাস্তা ছোট হয়ে গেছে,দুই টা ট্রাক একসঙ্গে আনলোড করতে পারে না। ভারি মালামাল নামাবার সময় বড় ধরনের দূর্ঘটনা হতে পারে পথচারীদের । তাই এই সব দোকান সরানো অতি গুরুত্বপূর্ণ।
সিটি মার্কেট লেবার সরদার শাহাদাৎ হোসেন বলেন আমার লেবারদের দোকানের সামনের বেঞ্চ বসানো নিয়া অনেক বার ঝগড়া মারামারি হইছে, তাও তারা কারও কথা শুনে না। ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে হয়।
সিটি মার্কেট কাঁচা বাজারের আড়ৎদার লোকমান খাঁন, মাসুম খলিফা ,আনোয়ার হোসেন, সজিব গাজী, জামাল মিয়া, সোহরাব হোসেন, শামীম গাজী,আক্তার,শহীদ বাংলা লিংক,বাচ্চু হাওলাদার সহ আরও অনেকে অভিযোগ করে বলেন- দুর দুরান্ত থেকে এখানে ট্রাক বোঝাই করে কাঁচা তরিতরকারি আসে একই সময় সব ট্রাক আনলোড করা জন্য প্রবেশ করলে রাস্তায় ব্যাপক যানজট দেখা দেয়। ভোর রাত থেকে সকালঅবদী শ্রমিক-ক্রেতা- বিক্রেতা এমনকি অটোরিকশা,হলুদ অটো,ভ্যানের কারণে ওই সড়কে অধিক পরিমাণে যানজট দেখা দেয়। এর মধ্যে “মরার উপর খরার ঘা” ওই
সড়কের উপর অবৈধ দোকান বসিয়ে ব্যাবসা করার কারনে সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় আমাদের।

এতে আমরা এবং বাজার ইজারাদার উভয় আর্থিক ভাবে
ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। এসকল অবৈধ দোকানের কারণে
প্রকৃত ইজারাদার পাচ্ছে না তার মূল্য এবং সিটি করপোরেশন হারাচ্ছে তার সঠিক রাজস্ব।
এ দিকে নদীর তীরে গড়ে উঠা নতুন লঞ্চ টার্মিনালের সৌন্দর্য নষ্ট করে গড়ে উঠা এসকল অবৈধ দোকানপাট বসিয়ে সড়ক ও নদীর পরিবেশ নষ্ট করছে এসকল ব্যাক্তিরা।
আমাদের দাবি ওইসব অবৈধ দোকান সরিয়ে ফেলে প্রকৃত সিটি মার্কেট কাঁচা বাজারে ব্যাবসায়ী পরিবেশ তৈরি করবে প্রশাসন।
সরজমিন তদন্ত করে দেখা যায় ওই স্থানে প্রায় ২০ টা অবৈধ অস্থায়ী দোকান মালিক রয়েছে। তাদের মধ্যে উল্লেখ যোগ্য কামাল শাহ,বেল্লাল,চুন্নু,খোকন, হৃদয়, মোসলেম, মোকলেস,রিয়াজ,জামাল,হেলাল,ফাডা সোহেল, নয়ন প্রমুখ। এদের কেউ নিজেরা ওই দোকানে বসে না, সাবাই বিভিন্ন জন কে ভাড়া দিয়ে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন।
সিটি মার্কেট এলাকার ব্যাবসায়ী নরুল আমিন কয়েস জানান অবৈধ দোকান বসানোর সাথে বন্দর কর্মকর্তা ও স্থানীয় কিছু ব্যাবসায়ী জরিত আছে।
এবিষয়ে বিসিসির প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মো: রায়হান উজ্জামান (সিনিয়র সহকারী সচিব) বলেন আমি নিজে ওই স্থানে অভিযান করে বেশ কয়েক কজনকে জরিমানা করেছি। তবে আবারও বড় পরিসরে অবৈধ দোকান উচ্ছেদ অভিযান করা হবে।