৩রা আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ভোর ৫:২৯
শিরোনামঃ
নলছিটিতে বৃদ্ধাকে কুপিয়ে হত্যা চেষ্টা’র অভিযোগ। বরিশালে পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হিজলায় ককটেল ফাটিয়ে রক্তক্ষয়ী হামলা! বিএনপির আহ্বায়কসহ ২০ নেতাকর্মী জখমের অভিযোগ কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে বরিশালে ফ্যাসিস্ট সিভিল সার্জনের অপসারণের দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। শেবাচিমে অটোরিকশা সহ চোর আটক  বানারিপাড়ায় বৃদ্ধার হাত ভেঙে দিয়েছে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের পুলিশ সদস্য মাসুদ ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী। শাপলা চত্বর হত্যার তদন্ত প্রতিবেদন প্রসিকিউশনের হাতে, প্রধান আসামি হাসিনা কীর্তনখোলার তীরে অবৈধ দোকানপাট,কাঁচা বাজার আড়ৎদারদের ভোগান্তি- ট্রাক পাকিং ব্যাহত” ঝুঁকিতে পথচারী কীর্তনখোলার তীরে অবৈধ দোকানপাট,কাঁচা বাজার আড়ৎদারদের ভোগান্তি- ট্রাক পাকিং ব্যাহত” ঝুঁকিতে পথচারী। আমতলীতে জমিজমা বিরোধের জেরে কাতার ফেরত প্রবাসীকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ

এলপিজি গ্যাস আসলে কি?

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ রবিবার, এপ্রিল ২১, ২০২৪,
  • 527 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

এলপিজি গ্যাস আসলে কি?

এলপিজি আসলে একটি তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাস। এটি এল পি জি লিকুইফাইড পেট্রোলিয়াম গ্যাস বা লিকুইড পেট্রোলিয়াম গ্যাস এই নামে বেশি পরিচিত। এলপিজিকে ক্লিন বা গ্রীন ফুয়েল বলেও আখ্যায়িত করা হয়। প্রোপেন ও বিউটেনের সংমিশ্রণে উৎপন্ন এ গ্যাসটি পেট্রোল ও অকটেনের বিকল্প হিসেবে বিশ্বব্যাপী ব্যবহৃত। যা রান্নার পাশাপাশি যানবাহনের জ্বালানি হিসেবেও বেশি কার্যকর এবং নিরাপদ।

বাংলাদেশে বাসাবাড়িতে এলপিজি সিলিন্ডারের ব্যবহার অনেক বেড়েছে। সঙ্গে বেড়েছে বিস্ফোরণ ও অগ্নিকান্ডের ঘটনাও। প্রচন্ড তাপ বা আগুনের সংস্পর্শে রাখলে, কিংবা রেগুলেটরে কোন ত্রুটি থাকলে এই ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে। ইদানীং এ্যাপার্টমেন্টগুলোর নিচতলায় সিলিন্ডার রেখে প্রতিটা ফ্লোরে কানেকশন দেয়া হয়। এতে দুর্ঘটনার সম্ভাবনা কম থাকে। এলাকার গ্যাস সিলিন্ডার সাপ্লায়ারকে বললে তারা দ্রুত সিলিন্ডার এনে সুন্দরভাবে লাগিয়ে দিয়ে যায়। কোন সমস্যা হলেও সাপ্লায়ারকে ফোন করলে তারা দ্রুত এসে সমস্যার সমাধান করে দিয়ে যায়। আর বিকল্প একটা সিলিন্ডার না থাকলে হঠাৎ গ্যাস ফুরিয়ে গেলে পড়তে হবে বিপত্তিতে। তাই নির্দিষ্ট একটা সময় পর আরেকটা বাড়তি সিলিন্ডার এনে রাখাই শ্রেয়। এলপিজি কেজি হিসেবে বিভিন্ন সাইজের হয়ে থাকে।

সাড়ে ৫ কেজি সিলিন্ডার থেকে ৪৫ কেজি সিলিন্ডার পর্যন্ত বাজারে পাওয়া যায়। প্রয়োজন অনুযায়ী যেকোন সিলিন্ডার বেছে নিতে পারেন।

বিস্ফোরণ অধিদফতরের প্রধান পরিদর্শক আবুল কালাম আজাদ বলেন- ‘যেসব বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটছে তার মূলে রয়েছে এই সিলিন্ডারগুলো যথাযথভাবে পরিবহন, মজুদ ও ব্যবহার না করা। গ্যাসের লিকেজ, হোস পাইপ, রেগুলেটর, গ্যাস ভালভ ইত্যাদিতে দুর্বলতার কারণে যেকোন সময় গ্যাস লিক হতে পারে। সেই লিকেজ থেকে গ্যাস বেরিয়ে জমতে থাকে। সামান্য আগুন এমনকি স্ফুলিঙ্গের সংস্পর্শে আসার সঙ্গে সঙ্গে এই জমে থাকা গ্যাসে ঘটতে পারে ভয়াবহ বিস্ফোরণ। সিলিন্ডারে কোনরকম নিন্ম মানের যন্ত্রাংশ ব্যবহার না করে সব সময় অনুমোদিত সেরা মানের উপকরণ ব্যবহার করুন। সিলিন্ডার কেনার সময় মেয়াদ দেখে কিনতে হবে। সাধারণত একটি সিলিন্ডার ১০ থেকে ১৫ বছর পর্যন্ত মেয়াদ থাকে। মেয়াদোত্তীর্ণ সিলিন্ডার কোন অবস্থাতেই ব্যবহার করা যাবে না। কোম্পানির সিল, সেফটি ক্যাপ, পাইপ, রাবারের রিং, রেগুলেটর ঠিকভাবে আছে কিনা সেটা পরীক্ষা করে নিতে হবে। সিলিন্ডারটি টানা হেঁচড়া করে, ধাক্কা দিয়ে, মাটিতে গড়ানো যাবে না। তাই দেখেশুনে ভাল সিলিন্ডার কিনে নিরাপদ থাকুন।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...
© All rights reserved © 2022
Developed By Engineerbd.net
EngineerBD-Jowfhowo