স্টাফ রিপোর্টার
বাকেরগঞ্জ উপজেলার পাদ্রি শিবপুর ইউনিয়নে জমি দখলের জের ধরে প্রতিপক্ষের লাথির আঘাতে এক যুবকের লিঙ্গ ও
অন্ডকোষে আঘাত লেগে রক্তাক্ত জখম হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাদের হাত থেকে রক্ষা পাননি তার বৃদ্ধা মা মিনা বেগম ও ভাই সোহাগ মৃধা।
মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারী) দুপুর আড়াইটায় বাকেরগঞ্জ ভূমি অফিসের মূল ফটোকে এ হামলার ঘটনা ঘটে। আহতের নাম সুমন মৃধা সে ওই গ্রামের বাসিন্দা মৃত আব্দুল মজিদ মৃধার ছেলে। আহতদের মধ্যে মিনা বেগম ও সোহাগ প্রাথমিক চিকিৎসাধীন এবং সুমনকে শের-ই- বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আহত সুমন জানান, গত দুই মাস আগে তাদের কাছ থেকে ১৬ শতাংশ জমি ক্রয় করে একই গ্রামের সজীবের শ্বশুর ও মির্জাগঞ্জ ১ নং মাদবখালি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান লাভলু গাজী। তাদের কাছ থেকে ১৬ শতাংশ জমি ক্রয় করলেও ২৪ শতাংশ জমি ভোগদখল করে গত এক সপ্তাহ আগে সেখানে মাটি ভরাট করে। এ ঘটনায় তারা পটুয়াখালী পুলিশ সুপার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। তারই সূত্র ধরে ঘটনার দিন দুপুরে সে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র উঠাতে বাকেরগঞ্জ ভূমি অফিসে যায়। এসময় তার ভাই স্থানীয় চেয়ারম্যান বাবুর ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে সজীব, রানা ও মিজান সহ কয়েকজন অফিসের মূল ফটোকের সামনে ডেকে নিয়ে তার তলপেটে লাথি মারে। এ সময় তাদের আঘাতে তার লিঙ্গ ও অন্ডকোষ রক্তাক্ত জখম হয়।
তার ডাক চিৎকার শুনে মিনা ও সোহাগ ঘটনাস্থলে রওয়ানা হয়।পথিমধ্যে পারশিবপুর মুন্সির দোকান সংলগ্ন ফকিরা পোল নামক স্থানে ওৎ পেতে থাকা শামীম মৃধা, বশির,মিজান, ফারুক হাওলাদার,জাকির, মোতাসেফ ও বাবুল সহ অজ্ঞাত আরো কয়েকজন তাদেরকে লাঠি সোটা দিয়ে এলোপাথাড়ি পিটিয়ে গুরুতর জখম করে এবং তার মাকে বিবস্ত করে।
পরে স্থানীয়রা আহতদেরকে উদ্ধার করে তাৎক্ষণিক বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। সেখানের চিকিৎসকরা আহতদের মধ্যে সুমনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে। আহতের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন ওই ইউনিটের কর্তব্যরত চিকিৎসকরা।
এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে আহতদের স্বজনরা জানান।