স্টাফ রিপোর্টার।। পূর্ব শত্রুতার জের ধরে বরগুনা জেলার বেতাগী উপজেলার ১ নং বিবিচিনি ইউনিয়নে নারী সহ একই পরিবারের ৬ জনকে হত্যার চেষ্টায় এলোপাথাড়ি কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করেছে প্রতিপক্ষরা।
এ সময় নগদ অর্থ,স্বর্ণালংকার ও মালামাল লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয় প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে কাইয়ুম মোল্লা, নাইম মোল্লা ও ফোরকান মোল্লা নাটকীয় ভাবে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৩ টায় দেশান্তর কাঠী গ্রামে এ সহিংসতার ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা আহতদেরকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে বেতাগী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করলে সেখান থেকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে।
আহত জহিরুল জানান, তার বাবা আজাহার মোল্লার সাথে চাচা ফোরকান মোল্লার দীর্ঘদিন ধরে পূর্ব শক্রতা চলে আসছে। তারই সূত্র ধরে ঘটনার দিন মঙ্গলবার বিকেলে আজাহার গরু বাধতে থাকে। এ সময় ছাত্রদল নেতা কাইয়ুম মোল্লার নেতৃত্বে ফোরকান মোল্লা, নাঈম মোল্লা,ও নাজমুল মোল্লা সহ অজ্ঞাত আরো ৫-৭ জন আজাহার কে হত্যার উদ্দেশ্যে দা এবং কাঁচি দিয়ে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। তার ডাক চিৎকার শুনে জহিরুল মোল্লা, তার চাচা আনোয়ার মোল্লা, স্ত্রী মুক্তা বেগম, শ্যালিকা সানজিদা ও শাশুড়ি শিরিন বেগম তাকে উদ্ধার করতে ঘটনাস্থলে এগিয়ে আসলে তাদেরকেও এলোপাথাড়ি কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে।
ঘটনার পর স্বজনরা আহতদেরকে উদ্ধার করে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। সেখান থেকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজাহার এর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করে।
তিনি অভিযোগ করে আরো বলেন, ফোরকান মোল্লার ছেলে কাইয়ুম মোল্লা ১ নং বিবি চিনি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি। সে ক্ষমতার দাপট খাটিয়ে বিভিন্ন রকমের অপকর্ম করে করে বেড়ায়। কাইয়ুম ও তার পরিবারের জ্বালা যন্ত্রনায় গ্রামবাসী অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী ও সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন মহলে সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার।