স্টাফ রিপোর্টার: বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী সবুর খানের বিরুদ্ধে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের লিখিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গত ৩০ জুন (মঙ্গলবার) কলেজ কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কলেজ কর্তৃপক্ষের আদেশ অনুযায়ী, ইউরোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. আবু হাসান মো. রফিকুল বারীকে তদন্ত কমিটির সভাপতি, ফিজিওলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক (চলতি দায়িত্ব) ডা. অহিদা সুলতানাকে সদস্য এবং ক্লিনিক্যাল প্যাথলজিস্ট ও দায়িত্বপ্রাপ্ত ভাণ্ডার কর্মকর্তা ডা. মো. সাখওয়াত হোসেনকে সদস্য সচিব করা হয়েছে।
জানা গেছে, এর আগে সহকারী পরিচালক (অর্থ ও ভাণ্ডার) ডা. আব্দুল মোনায়েম সাদকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হলেও তিনি অপারগতা প্রকাশ করলে নতুন করে এ কমিটি গঠন করা হয়।
অভিযোগে বলা হয়েছে, সবুর খান তথ্য গোপন করে দীর্ঘদিন চাকরি করা, অবসরে যাওয়া কর্মচারীদের পেনশনের কাজ করে দেওয়ার নামে অর্থ আদায়সহ বিভিন্ন অনিয়ম ও শৃঙ্খলাভঙ্গমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত। সম্প্রতি অবসরে যাওয়া এক কর্মচারীর পেনশনের টাকা উত্তোলনের কাজ করে দেওয়ার বিনিময়ে ৭০ হাজার টাকা দাবি করার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর কলেজের কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী অধ্যক্ষের কাছে তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
তবে সবুর খানের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেবে কলেজ কর্তৃপক্ষ।