স্টাফ রিপোর্টার।। অবশেষে জনতার হাতে ধরা পরল স্থানীয় চোর ও মাদক ব্যবসায়ীর মূল হোতা রাকিব মোল্লা ও জনি খা । এই চিহ্নিত চোর ও মাদক ব্যবসায়ীরা হলো, বরিশাল মুলাদী থানার উত্তর কাজির চর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল হাই মোল্লা ওরফে আব্দুল মোল্লার ছেলে রাকিব মোল্লা ও তার নাতি ও রতন খা’র ছেলে জনি খা।
গত শুক্রবার (৩০ মার্চ) দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টায় সংঘবদ্ধ চোর ও ডাকাত দল মেয়ার চর রাস্তার মাথা নামক স্থানে ডাকাতি করতে গেলে গ্রামবাসী ও জেলেরা একত্রিত হয়ে ডাকাত জনি খা ও রাকিব মোল্লাকে ধরে ফেললে আব্দুল হাই মোল্লা এবং তার ছেলে কামরুল মোল্লা।এ সময় ঘটনাস্থল থেকে তাদের সহযোগীরা ট্রলার যোগে পালিয়ে যায়। পরে গ্রামবাসী ও জেলেরা ডাকাত জনি খা ও রাকিব কে মূলাদী থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে।পুলিশ তাদেরকে বরিশাল আদালতে চালান করে দেয় এবং অন্যান্য আসামীদের ধরার চেষ্টা চালায়। উল্লেখ্য কিছু দিন পূর্বে উত্তর কাজির চর এলাকা থেকে বিল্লাল মালের একটি মোটরসাইকেল রাতের আধারে মনির তপেদারের নিজ ঘরের সামনে থেকে চুরি হয়ে যায়। অনেক খোজা খুজির পর সংবাদ পাওয়া যায় চোর আর কেউ নয় আব্দুল হাই ওরফে আব্দুল মোল্লার ছেলে রাকিব মোল্লা এবং তার দোষর কামরুল মোল্লা। চোর ধরার পর স্থানীয় জন প্রতিনিধির পক্ষে উপস্থিত ছিলেন মোঃ ফজলু তপেদার। এ সময় চোরদের ছবি তুলতে গেলে তখন আব্দুল হাই মোল্লার বড় ছেলে চোরদের সর্দার কামরুল স্থানীয়দের উপর হামলা করার চেষ্টা করে। পরে চোর ও মাদক ব্যবসায়ীদের মদদ দানকারী আত্মীয় পরিচয়ে অন্যান্য চোর ও মাদক ব্যবসায়ীরা টাকার বিনিময়ে এবং মোটরসাইকেল ফেরত দিয়ে মীমাংসা করে ফেলে।
জানা যায়, আব্দুল মোল্লার জামাতা রতন খা একজন চিহ্নিত চোর। চুরি করার অপরাধে তাকে গোড়কাঠি চরবাসী গ্রাম ছাড়া করে দেয়।এবং এলাকা ছাড়ার পর তার শ্বশুরবাড়িতে আব্দুল মোল্লার বাড়িতে বসবাস করে।সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে তার ছেলে জনি খা,তার দুই শ্যালক রাকিব মোল্লা ও কামরুল মোল্লাকে চুরি করা শিখিয়ে দেয়। ওই গ্রামে একটি চোর চক্র তৈরি করে। এই রতন খা ও কামরুল প্রায় সময়ই ঢাকা থেকে গাড়ি চুরি করে গ্রামে এনে শ্যালকদের মাধ্যমে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বিভিন্ন জেলায় বিক্রি করে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ৫-৭ বছর পূর্বে কামরুল গাড়ি চুরির অপরাধে গনধোলাই খেয়ে ঢাকা থেকে পালিয়ে গ্রামের বাড়িতে এসে বাপ বেটা চটপটি ব্যবসার আড়ালে গাঁজা ও ইয়াবা বিক্রি করে। তাদের অত্যাচারে গ্রামবাসী অতিষ্ঠ। ভুক্তভোগীরা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ ব্যাপারে মুলাদী থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) মোঃ জহিরুল আলম বলেন, বিষয়টি আমি জানিনা। আমি জেনে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নিবো।