৬ই নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ রাত ১২:৪১
শিরোনামঃ
নলছিটিতে মাছের ঘেরে বিষ প্রয়োগ ও মাছ লুটের অভিযোগ, থানায় জিডি মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজে ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট সেমিনার ডা. অমিতাভের বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ নতুন কমিটি ঘিরে সরগরম নলছিটি ছাত্রদল, আলোচনায় রাজিব আহসান কর্ণকাঠীতে কৃষি কর্মকর্তা ও তার চাচাকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ। সাহেবেরহাটে ভাই ও ভাবিকে মারধরের অভিযোগ নলছিটিতে দেবর ও তার পরিবারের হামলায় ভাবি হাসপাতালে ভাটিখানায় সংখ্যালঘু পরিবারের উপর হামলা,আহত-৩ ডা: অমলেন্দু ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে কর্মস্থলে অনিয়ম ও সরকারি দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ

পরিবহন আইন, আড়াই কোটি টাকা জরিমানা আদায়

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ বৃহস্পতিবার, মার্চ ১৪, ২০২৪,
  • 394 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক
সড়ক পরিবহন আইন বাস্তবায়নে গত ১ বছরে কুড়িগ্রামে ৮ হাজার ৪৮০টি মামলা দেওয়া হয়েছে বিভিন্ন যানবাহনকে। এ মামলাগুলোর মধ্যে নিষ্পত্তি হয়েছে ৮ হাজার ৩৫০টি মামলা। আর এসব মামলায় জরিমানা আদায় করা হয়েছে প্রায় আড়াই কোটি টাকার মতো।কুড়িগ্রাম ট্রাফিক অফিস সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। কুড়িগ্রাম ট্রাফিক পুলিশ অফিস সূত্র জানায়, গত বছরের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত জেলায় বিভিন্ন যানবাহনের ওপর ৮ হাজার ৪৮০টি মামলা করা হয়েছে। এসব মামলায় জরিমানা করা হয়েছে ২ কোটি ৫১ লাখ টাকা।

এ ছাড়াও ৪৬৫ জন রেজিস্ট্রেশন বিহীন গাড়ি চালকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে ট্রাফিক পুলিশ। এসব গাড়ির চালকরা পুলিশের কথায় উদ্বুদ্ধ হয়ে গাড়ির রেজিস্ট্রেশন করেছেন। যার ফলে প্রায় ৫১ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা হয়েছে। অপর দিকে সচেতনতা বাড়াতে জেলায় প্রায় ১০৫টি জনসচেতনতামূলক সভা করেছে ট্রাফিক বিভাগ। সদরের ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকার মঈনুদ্দিন মিয়াজি বলেন, আমি যেদিনই জেলা শহরে যাই, প্রায় দেখি ধরলা ব্রিজ পশ্চিম পাড়ে সার্জেন্টরা বিভিন্ন গাড়ির কাগজপত্র চেক করছে। এটা অবশ্যই ভালো, যাদের গাড়ির কাগজপত্র নাই তারা তাদের সামনে যাবে না। তখন হবে কি চালকরা গাড়ির রেজিস্ট্রেশন পাশাপাশি ড্রাইভিং লাইসেন্স করবে এবং বৈধভাবে সড়কে চলাচল করবে। সেক্ষেত্রে সড়ক দুর্ঘটনার আশঙ্কা কমে যাবে।

তিনি আরও বলেন, পুলিশ এমন তৎপর থাকলে, কমে আসবে সড়ক দুর্ঘটনা। পাশাপাশি সরকার রাজস্ব হারাবে না। যদি আবার পুলিশের সার্জেন্টরা ঘুষ নিয়ে চালকদের ছেড়ে দেয়, তাহলে তো দু পক্ষেই ক্ষতির সম্মুখীন হবে। জেলা ট্রাফিক ইন্সপেক্টর বানিউল আনাম বলেন, পুলিশ সুপার স্যারের নির্দেশনায় আমরা সড়কে কাজ করে চলেছি। সড়কে যেন সকলেই সড়ক পরিবহন আইন মেনে চলে তা নিয়ে আমরা কাজ করছি এবং হেলমেট বিহীন, ড্রাইভিং লাইসেন্সবিহীন ও ফিটনেস বিহীন গাড়ি যেন সড়কে চলতে না পারে সে বিষয়টি নিশ্চিত করছি। কুড়িগ্রামের পুলিশ সুপার (এসপি) আল আসাদ মো. মাহফুজুল ইসলাম বলেন, সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ বাস্তবায়নে আমরা কাজ করে চলেছি। মালিক শ্রমিক ইউনিয়ন, পেশাদার মোটরযান চালক স্কুল ও কলেজের ছাত্রছাত্রীসহ পথচারী জনসাধারণদের নিয়ে বিভিন্ন সময়ে আমরা সচেতনতামূলক সভার আয়োজন করেছি।

হেলমেট বিহীন, ড্রাইভিং লাইসেন্সবিহীন ও ফিটনেস বিহীন গাড়ি যেন সড়কে না চলে এ নিয়ে কাজ করছি আমরা।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...
© All rights reserved © 2022
Developed By Engineerbd.net
EngineerBD-Jowfhowo