স্টাফ রিপোর্টার।। ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলার ৪ নং উত্তর রানাপাশা ইউনিয়নে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বিরোধপূর্ণ জমিতে দালান উঠানো কে কেন্দ্র করে একই পরিবারের ৬ জনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করেছে ফিরোজ মুন্সী ও তার সহযোগীরা। শুক্রবার (১৩ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২ টায় উত্তর রানাপাশা গ্রামে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন, ওই গ্রামের বাসিন্দা বাবুল হাওলাদার ;স্ত্রী ফিরোজা বেগম,ছেলে মামুন হাওলাদার; রাকিব হাওলাদার, ভায়রা শাহ আলম হাওলাদার, ও ভায়রা ছেলে সাকিব হাওলাদার । আহতদের কে উদ্ধার করে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহত ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী বাবুল হাওলাদারের সাথে একই গ্রামের ফিরোজ মুন্সীর ৮১ শতাংশ জমি ভোগ দখলীয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। উক্ত বিরোধের জের ধরে তার পরিবারকে হত্যা,হামলা,ও মামলাসহ বিভিন্ন রকমের ভয় ভীতি দেখিয়ে আসে। এ ব্যাপারে তার ছেলে মামুন হাওলাদার বাদী হয়ে বিজ্ঞ আদালতে একটি মামলা দায়ের করলে আদালতে নিষেধাজ্ঞা চলমান রয়েছে।যাহার মামলা নং ২৬৪/২৫।আদালতের আদেশ অমান্য করে গত ১০ ফেব্রুয়ারি রাতে ফিরোজ মুন্সী, জুয়েল মুন্সি, জলিল মুন্সি, সিয়াম মুন্সী, লতিফ মুন্সী,সাগর মুন্সি ও শান্ত মুন্সি সহ অজ্ঞাত আরো ৮-১০ জন সন্ত্রাসী জোরপূর্বক ওই জমিতে থাকা দালান ঘরের ছাদ ঢালাই দেয়। এ সময় বাবুল ও ছেলে মামুন বাদা প্রদান করলেও তারা কাজ চালিয়ে যায়। তারই সূত্র ধরে ঘটনার দিন শুক্রবার দুপুরে ফিরোজ মুন্সি সহ অন্যান্যরা দা এবং লোহার রড সহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ভুক্তভোগীর বাড়িতে প্রবেশ করে। এ সময় বাবুল বাধা প্রদান করলে ক্ষিপ্ত হয়ে তারা তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে ও পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। ডাক চিৎকার শুনে ফিরোজা,রাকিব , সাকিব, মামুন,ও শাহ আলম তাকে উদ্ধার করতে এগিয়ে আসলে তাদেরকেও কুপিয়ে ও পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। এ সময় তারা ঘর ভাঙচুর চালিয়ে নগদ ৭৫ হাজার টাকা ও মালামাল লুটপাট করে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরে স্থানীয়রা আহতদেরকে উদ্ধার করে তাৎক্ষণিক নলছিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। সেখান থেকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে।
এ ঘটনায় মামুন বাদী হয়ে ১০ জনকে আসামি করে নলছিটি থানায় একটি এজাহার দায়ের করে। ভুক্তভোগী পরিবার প্রধান উপদেষ্টা ও সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন মহলে সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানিয়েছেন।