৬ই নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ সকাল ৯:৩২
শিরোনামঃ
নলছিটিতে মাছের ঘেরে বিষ প্রয়োগ ও মাছ লুটের অভিযোগ, থানায় জিডি মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজে ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট সেমিনার ডা. অমিতাভের বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ নতুন কমিটি ঘিরে সরগরম নলছিটি ছাত্রদল, আলোচনায় রাজিব আহসান কর্ণকাঠীতে কৃষি কর্মকর্তা ও তার চাচাকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ। সাহেবেরহাটে ভাই ও ভাবিকে মারধরের অভিযোগ নলছিটিতে দেবর ও তার পরিবারের হামলায় ভাবি হাসপাতালে ভাটিখানায় সংখ্যালঘু পরিবারের উপর হামলা,আহত-৩ ডা: অমলেন্দু ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে কর্মস্থলে অনিয়ম ও সরকারি দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ

বরিশাল মেট্রোপলিটন এক পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ, সংবাদ সম্মেলন

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ শনিবার, এপ্রিল ২০, ২০২৪,
  • 361 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

বরিশাল অফিস: রেকডিও জমি দখল করে নেবার অভিযোগে সংবাদ সন্মেলন করেছেন ভূক্তভুগি এক পরিবার।

শনিবার (২০ এপ্রিল) দুপুর ১১ টায় বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটি কার্যালয় এই সংবাদ মন্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ঘটনাটি নগরীর রূপাতলী গ্যাস্টারবাইন পুলিশ বাড়ি সড়ক এলাকার।

সংবাদ মন্মেলন লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভূক্তভোগী তানিয়া আক্তার। এসময় তিনি দাবী করেন, তার প্রতিবেশী রিয়াজ ফরাজী ও বিএমপি পুলিশে কর্মরত ওয়ার্লেস অপারেটর এ এস আই আমিনুল ইসলাম এর সাথে দীর্ঘদিন যাবত একটি জমি নিয়ে দ্বন্দ্ব। এ ঘটনায় বরিশাল অতিরিক্ত জেলা মেজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করা হয় যার এমপি নং ১৪৪। পরে আদালত অভিযুক্ত রিয়াজ ফরাজী, আমিনুল ইসলাম, শহিদ ফরাজীকে ১৪৪/১৪৫ জারি অনুযায়ী সরোজমিনে তাদেরকে শান্তি শৃংঙ্খলা বজায় রাখার আদেশ জারি করেন।

সংবাদ সন্মেলনে তিনি আরো অভিযোগ করে বলেন, আদালতের আদেশ অমান্য করে এস আই মাইনুল তার লিখিত মতামত বাদী পক্ষের হয়ে কোর্টে জমা দেন। সে প্রেক্ষিতে আদালত ১৮৮ ধারা জারি করেন। ঐ জমিতে কিছুদিন পর দালান নির্মনের কাজ বন্ধ হয়ে যায়। তারপরে রিয়াজ ও তার দুলাভাই এ এস আই আমিনুল ইসলাম ২৪ ও ২৫ নং ওয়ার্ডের দুই কাউন্সিলরের কাছে যায়। তারা জমি মেপে যে সিদ্ধান্ত দেন তা আমরা মানলেও তারা মানেনি। পরে রিয়াজ ও তার দুলাভাই এ এস আই আমিনুল ইসলাম আমার বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় হয়রানি মুলক একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন।

বিষয়টি নিয়ে দুই পক্ষের এডভোকেট ও আমিন দিয়ে সরেজমিনে মাপ দেন এবং প্রাথমিক একটি সিদ্ধান্ত দেন থানা পুলিশ। সে সিদ্ধান্তও আমি মেনে নিলেও আমার প্রতিপক্ষ মেনে না নিয়ে উল্টো আমার বিরুদ্ধে আরো একটি মামলা দায়ের করেন। তারা আমাকে ধরতে না পেরে আমার অন্তঃসত্ত্বা ছোট বোন মুনিয়াকে বেধরক মারধর করে আবার আমার বিরুদ্ধে সরকারি কাজে বাঁধা প্রদান করেছি সেই মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে মামলা দায়ের করেন কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি তদন্ত আমানুল্লাহ আল বারী ও বাদী হয় এস আই মাইনুল । আমাকে ফাঁসাতে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে মামলাটি করা হয়। এটি একটি মিথ্যা ও বানোয়াট মামলা বলে দাবি করেন তানিয়া আক্তার।

বর্তমানে তিনি ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বলে সংবাদ সন্মেলনে দাবী করেন। তবে এ ব্যাাপারে পুলিশ কর্মকর্তা আমিনুল ইসলামের সাথে আলাপ করলে তিনি শারিরিক ভাবে অসুস্থ দাবি করে বলেন,তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পুর্ন মিথ্যা ও বানোয়াট‌ এ বলে ফোন কেটে দেন

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...
© All rights reserved © 2022
Developed By Engineerbd.net
EngineerBD-Jowfhowo