৬ই নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ সকাল ১১:০৩
শিরোনামঃ
নলছিটিতে মাছের ঘেরে বিষ প্রয়োগ ও মাছ লুটের অভিযোগ, থানায় জিডি মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজে ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট সেমিনার ডা. অমিতাভের বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ নতুন কমিটি ঘিরে সরগরম নলছিটি ছাত্রদল, আলোচনায় রাজিব আহসান কর্ণকাঠীতে কৃষি কর্মকর্তা ও তার চাচাকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ। সাহেবেরহাটে ভাই ও ভাবিকে মারধরের অভিযোগ নলছিটিতে দেবর ও তার পরিবারের হামলায় ভাবি হাসপাতালে ভাটিখানায় সংখ্যালঘু পরিবারের উপর হামলা,আহত-৩ ডা: অমলেন্দু ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে কর্মস্থলে অনিয়ম ও সরকারি দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ

মুক্তিযোদ্ধা সনদ জালিয়াতি করে সুবিধা নিচ্ছেন বাবুগঞ্জের রফিজ মোল্লা

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ শনিবার, ডিসেম্বর ১৪, ২০২৪,
  • 285 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক: দেশের জন্য যুদ্ধ না করেও জাল জালিয়াতি করে মুক্তিযুোদ্ধা সনদ তৈরী করে নিয়মিত বেতন ভাতা উত্তোলন করে সকল সুযোগ সুবিধা লুফে নিচ্ছেন বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার বকশিরচর গ্রামের রফিজ উদ্দিন মোল্লা।

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, রফিজ উদ্দিন মোল্লা১৯৬১ সালে ০২ আগষ্ট জন্মগ্রহণ করেন। তার এনআইডি নম্বর ১৯৫৬০৬১০৩২৭৬৪৬১৯৭ এবং ৮ম শ্রেণী পাশ। জাতীয় পরিচয় পত্রের তথ্যানুযায়ী মুক্তিযুদ্ধের সময় তার বয়স ছিল ৯ বছর ৮ মাস। তারপরও তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধা। মুক্তিযোদ্ধার নম্বর-০১০৬০০০৬৭৪৮, নিয়মিত তুলছেন ভাতা। জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধা সেজে অনেক বছর ধরে সরকারি কোষাগার থেকে লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন তিনি।

সূত্রে আরো জানা গেছে, মোঃ রফিজ উদ্দীন মোল্লা বাবুগঞ্জ উপজেলার চাঁদপাশা ইউনিয়নের বকশিরচর গ্রামের মৃত আঃ ময়জদ্দীন মোল্লার ছেলে। তার মাতার নাম সহর বানু। তিনি পরিবার পরিকল্পনা বিভাগে অফিস সহায়ক (নাইট গার্ড) হিসাবে দীর্ঘদিন সরকারী চাকরি করেছেন। সর্বশেষ তিনি বাবুগঞ্জ উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়নের উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে থেকে ২০২০ সালে চাকরি থেকে অবসর গ্রহণ করেন।

এলাকাবাসীর প্রশ্ন কিভাবে তিনি ৯ বছর ৮ মাস বয়সে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। এই মুক্তিযোদ্ধা সনদ দেখিয়ে তিনি নিয়মিত মুক্তিযোদ্ধা ভাতা তুলছেন এবং মুক্তিযোদ্ধা কোঠায় তার এক ছেলেকে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগে অফিস সহায়ক হিসেবে চাকরি দিয়েছেন। এখানেই শেষ নয় তার আরেক ছেলে বিগত সরকারের আমলে সাবেক এক দাপুটে মন্ত্রীর কেয়ারটেকার হিসাবে কর্মরত আছেন। এই মুক্তিযোদ্ধার দাপট দেখিয়ে তিনি বিভিন্ন ব্যক্তির সাথে হরদম মামলা মোকদ্দমা চালিয়ে যাচ্ছেন এবং জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে কাগজ পত্র তৈরী করে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করছেন। এই প্রতারক তার বড় ভাইকে বাপ বানিয়ে করেছেন জমির দলিল। তার আরেক ছোট ভাইকে (মৃত দলিল উদ্দীন মোল্লা) বাপের তাজ্য পুত্র হিসাবে দেখিয়ে তার সম্পত্তিও আত্মসাৎ করেছেন।

এ নিয়ে কিছুদিন পূর্বে তার এক ভাগ্নের সাথে কথা কাটাকাটি করে এক পর্যায়ে মারামারি করে মাথা ফাটিয়েছেন। এখন আবার শোনা যাচ্ছে তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে ঘর পাওয়ার জন্য অনেক উৎকোচ দিয়ে আবেদন করেছেন,বর্তমানে সেটি অনুমোদন হয়ে ঘর তৈরির বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

বিষয়টি নিয়ে বকশিরচর এলাকাবাসীর মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। তারা বলেন যেখানে প্রকৃত মু্ক্তিযোদ্ধারা ঘর পাওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, আর ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা ঘর পাচ্ছে।তারা অবিলম্বে প্রতারক রফিজ উদ্দীন মোল্লার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট দফতরের কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এ বিষয়ে রফিজ উদ্দীন মোল্লার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...
© All rights reserved © 2022
Developed By Engineerbd.net
EngineerBD-Jowfhowo