খলিফা মাইনুল।। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সমগ্র বাংলাদেশের ভিতরে ৭ জন নারী বিজয় হয়েছেন এবং বরিশাল বিভাগের মধ্যে বিএনপির একমাত্র নারী হিসেবেও তিনি বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। দাঁড়ি পাল্লার প্রার্থী শেখ নেয়ামুল করিম ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর প্রার্থী মনোনীত প্রার্থী ডাঃ সিরাজুল ইসলাম সিরাজী প্রতিদ্বন্দ্বী ২ জন প্রার্থীকে প্রায় ৪৪ হাজার ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে নির্বাচিত হয়ে বরিশালের ভিতর ফের আলোচনায় তিনি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও জনপ্রিয়তা বিবেচনায় তাকে মনোনয়ন দিয়েছিল বিএনপি।দীর্ঘ সময় তিনি বিএনপির সাথেই ছিলেন।
উল্লেখ্য, ঝালকাঠি সদর ও নলছিটি (ঝালকাঠি-২) আসনের নলছিটির মোল্লারহাট ইউনিয়নে ইলেন ভুট্টোর শশুরবাড়ি। তার প্রয়াত স্বামী জুলফিকার আলী ভুট্টা জাতীয় পার্টি থেকে তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।
তার স্বামী ২০০০ সালে সংসদ সদস্য জুলফিকার আলী ভুট্টোর আকস্মিক মৃত্যুতে ঝালকাঠি-২ আসনের উপ-নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশ নেন ইলেন ভুট্টো।
কিন্তু সেই নির্বাচনে প্রভাব বিস্তার করে এমপি নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা আমির হোসেন আমু। এরপর ২০০১ সালে ইলেন ভুট্টো বিএনপিতে যোগ দিয়ে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করে আমির হোসেন আমুকে হারিয়ে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে সবাইকে তাক লাগিয়ে দেন।
দলীয় সূত্রে জানা যায় ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টোর বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার এক সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান। বরিশাল বিভাগে বিএনপির একমাত্র নারী প্রার্থী হিসেবে তিনি আলোচনায় ছিলেন।
ইলেন ভুট্টো প্রসঙ্গে জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মোস্তফা কামাল মন্টু সাংবাদিকদের বলেন, ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো কখনো বিএনপির দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে যাননি। সে আলোকেই ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ইলেন ভুট্টোকে পুনরায় মনোনয়ন দিয়েছে। ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো দলের সিদ্ধান্তের প্রতি আস্থা রেখে বিপুল ভোটে বিজয় হয়েছেন।
ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো বলেন , ঝালকাঠি সদর ও নলছিটির জনগণ আমাকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করেছে এজন্য তাঁদের প্রতি আমি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। বিএনপি’র চেয়ারপার্সন তারেক রহমান আমার প্রতি যে আস্থা রেখেছেন তার প্রতিদান দিতে পেরে আমি নিজেকে ধন্য মনে করি। আগামীতে এলাকার উন্নয়নই হবে আমার আসল কাজ।