নিজস্ব প্রতিবেদক: ভোলার ইলিশা থেকে যাত্রী নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া এমভি কর্ণফুলী-৩ লঞ্চের ইঞ্জিন কক্ষে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। তবে লঞ্চের লোকজন পানি দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। রক্ষা পেয়েছেন ওই লঞ্চের ৪৫০ যাত্রী। বেলা সোয়া ১১টার দিকে চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলার নীলকমল ইউনিয়নের মাঝের চরসংলগ্ন মেঘনা নদীতে এই দুঘটনা ঘটে।
ফায়ার সার্ভিস চাঁদপুরের উপ-সহকারী পরিচালক মোরশেদ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘লঞ্চের ইঞ্জিন কক্ষে একটি চার্জার থেকে আগুন লাগলেও আমরা যাওয়ার আগেই লঞ্চের লোকজন আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। ফলে বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।’
নীলকমল নৌ পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ মো. জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, লঞ্চের ইঞ্জিন কক্ষে আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে চালক লঞ্চটি তাৎক্ষণিক নদীর পাড়ে একটি চরে ভিড়িয়ে দেন। এ সময় ওই লঞ্চে থাকা যাত্রীরা দ্রুত চরে নেমে যান। লঞ্চ কর্তৃপক্ষ দ্রুত পানি দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। খবর পেয়ে চাঁদপুর থেকে নৌ ফায়ার সার্ভিসের একটি দলও ঘটনাস্থলে আসে।
চাঁদপুর নৌবন্দর ও পরিবহন কর্মকর্তা মো. শাহাদাত হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘আগুন লাগার বিষয়ে লঞ্চের মাস্টার মোবারক হোসেন আমাকে অবহিত করেন। আমরা কর্ণফুলী-৩ লঞ্চের যাত্রীদের উদ্ধার করে কর্ণফুলী-৪ লঞ্চের মাধ্যমে রাজধানী ঢাকায় সদরঘাটে পাঠানোর ব্যবস্থা করেছি।