স্টাফ রিপোর্টার।। ফরিদপুরে তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে প্রবাসীর স্ত্রী ও শিশু সন্তানকে হত্যার চেষ্টায় এলোপাথাড়ি পিটিয়ে গুরুতর জখম করেছে শ্বশুরবাড়ির লোকজন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার বেলা ১১ টায় নিজ ঘরে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন, কোতয়ালি থানাধীন রহিমপুর গ্রামের বাসিন্দা জর্ডান প্রবাসী কামাল হোসেনের স্ত্রী সেলিনা বেগম ও শিশু সন্তান তাইবুল ইসলাম। আহতদের মধ্যে সেলিনা বেগম বরিশাল শের-ই- বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এবং তাইবুল কে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
আহত সেলিনা জানান, সে ও তার স্বামী দুইজনই দীর্ঘ বছর ধরে জর্ডানে কর্মরত ছিলেন। প্রবাসে থাকাকালীন তার শ্বশুর সলেমান মুন্সির কাছে প্রায় ১১ লাখ টাকা বাড়ি নির্মাণ করার জন্য পাঠায়। সেই টাকা তার চাচা শ্বশুর ইদ্রিস মুন্সির ইন্ধনে শশুর সলেমান ও দেবর জামাল মুন্সী আত্মসাৎ করে। প্রবাস থেকে সেলিনা বেগম দেশে আসলে এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে বাক-বিতণ্ডা সৃষ্টি হয়।গত বৃহস্পতিবার ভুক্তভোগীর স্বামী কামাল হোসেন তার পরিবারের জন্য ৪০ হাজার টাকা পাঠালে সেই টাকা গণনা করার সময় তার শিশু সন্তান তাইবুল স্পর্শ করে। একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে তারা তার শিশু সন্তানকে মারধর করে ও তাকে অশ্লীল ভাষায় গালমন্দ করে। এ সময় সে প্রতিবাদ করলে স্বামীর ভিটা থেকে তাকে উৎখাতের চেষ্টায় জামাল মুন্সি, ইদ্রিস, বিউটি বেগম সহ অজ্ঞাত আরো ৪/৫ জন তাকে লাঠি সোটা দিয়ে এলোপাথাড়ি পিটিয়ে গুরুতর জখম করে।
পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে তাৎক্ষণিক স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। সেখানে সেলিনা বেগমের অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তার উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
অপরদিকে পাষণ্ড শ্বশুর সলেমান ও তার লোকজনের আতঙ্কে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে অসহায় সেলিনা ও তার শিশু সন্তান বলেও অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে মামলা দায়ের প্রস্তুতি চলছে বলেও আহতের স্বজনরা জানান।