স্টাফ রিপোর্টার।। মুলাদী উপজেলার ছবি পুর ইউনিয়নে জমিজমা বিরোধের জের ধরে এক অসহায় পরিবারের উপর হামলা চালিয়েছে প্রতিপক্ষরা। এতে প্রতিবন্ধী সহ কমপক্ষে ৪ জন গুরুতর জখম হয়েছে। এ সময় একটি স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) বিকেল ৫ টায় পূর্ব পদ্মা গ্রামের হাওলাদার বাড়িতে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন, ওই গ্রামের বাসিন্দা মোতালেব হাওলাদারের স্ত্রী বকুলি বেগম, পুত্রবধূ শাহিনুর আক্তার, ছেলে মতিন হাওলাদার (বাক প্রতিবন্ধী) ও ওবায়দুল হাওলাদার। আহতদের মধ্যে শাহিনুর শেবাচিম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এবং অন্যন্যদের মুলাদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় বকুলি বেগম বাদী হয়ে ৬ জনকে আসামি করে মুলাদী থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন।
আহত ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, পূর্ব পদ্মা গ্রামের বাসিন্দা মোতালেব হাওলাদারের স্ত্রী বকুলি বেগমের সাথে দীর্ঘদিন ধরে জমি জমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছে একই গ্রামের রফিক হাওলাদারের ছেলে সাকিব হাওলাদার,মৃত লতিফ শিকদার ওরফে পনুর ছেলে কালাম শিকদার, গিয়াস শিকদার, জিয়াউল সিকদার,রফিক হাওলাদারের স্ত্রী সুলতানা ওরফে রুমা,ও কালাম শিকদারের স্ত্রী আলেয়া বেগমের। এ নিয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা সালিশ মীমাংসা করে দিলেও প্রতিপক্ষরা তা অমান্য করে। তারই সূত্র ধরে ঘটনার দিন মঙ্গলবার বিকেলে বসত বাড়ির জমিজমা নিয়ে উভয়ের মধ্যে কথার কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে সাকিব সহ অন্যান্যরা তাদের ঘরে প্রবেশ করে শাহিনুর কে হত্যার উদ্দেশ্যে লাঠি সোটা দিয়ে এলোপাথাড়ি পিটিয়ে তার হাত ভেঙে দেয়। তার ডাক চিৎকার শুনে বকুলি তার ছেলে মতিন হাওলাদার (বাক প্রতিবন্ধী) ও ওবায়দুল হাওলাদার ঘটনাস্থলে গেলে তাদেরকেও পিটিয়ে গুরুতর জখম করে। পরে স্থানীয়রা আহতদের মধ্যে শাহিনুর কে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে তাৎক্ষণিক মুলাদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। সেখানের কর্তব্যরত চিকিৎসকরা শাহিনুরের অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে এবং বাকি ৩ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।