স্টাফ রিপোর্টার
ভোলা জেলার বোরহান উদ্দিন উপজেলার পদ্মা গ্রামে জমি থেকে উৎখাতের চেষ্টায় একই পরিবারের ৬ জনকে হত্যার চেষ্টায় এলোপাথাড়ি কুপিয়ে ও পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করেছে প্রতিপক্ষরা। এসময় ঘর ভাংচুর নগদ টাকা স্বর্ণালংকার ও মালামাল লুটপাট চালায় তারা বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯ টায় মীরা বাড়ীতে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলো, ওই গ্রামের বাসিন্দা নূরুল ইসলাম মিরা,তার স্ত্রী রোজিনা বেগম, চাচা হাসান মীরা,হোসেন মীরা,সিরাজ, চাচি নূরুন্নাহার,ও মিনারা।
আহতদের মধ্যে রোজিনা ও নূরুন্নাহার শেবাচিম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এবং হোসেন মিনারাও সিরাজ ভোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসাধীন রয়েছে।আহত নূরুল ইসলাম জানান,তার বসত বাড়ীর জমি দীর্ঘদিন ধরে দখলের পায়তারা করে আসছে তার ছোট ভাই নাগর মীরা ও তার সহযোগী আলমগীর। তারই সূত্র ধরে ঘটনার দিন শুক্রবার সকালে তাকে হত্যার উদ্দেশ্য রাম দা বগিদা ক্রিজসহ দেশীয় অস্ত্র সস্ত্র নিয়ে তাকে ধাওয়া করে নাগর আলমগীর ,ফখরুল, রিপন,তাসলিম ইউসুফ,নাসির,রিতন, বাবু,শামীম, জিহাদ,ও জিসান সহ অজ্ঞাত আরো কয়েক জন তাকে ধাওয়া করে। এসময় তাদের হাত থেকে বাচতে সে তার চাচা হাসানের ঘরে আশ্রয় নেয়। এক পর্যায়ে ক্ষীপ্ত হয়ে তারা নূরুল কে রড দিয়ে এলোপাথাড়ি পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। তার চাচা হাসান বাড়িতে না থাকার সুবাদে ঘর ভাংচুর নগদ ৭ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা ও স্বর্নাংকার ছিনিয়ে নেয়। এসময় নূরুন্নাহার বাধা প্রদান করলে তাকে হত্যার উদ্দেশ্য ধরালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। তার ডাক চিৎকার শুনে রোজিনা,নুরুন্নাহার,মিনারা,হোসেন, ও সিরাজ ঘটনাস্হলে গেলে তাদেরকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। এসময় আলমগীরের ছেলে শামীম নূরুলের ঘর ভাংচুর, নগদ ৩ লক্ষ টাকা ও স্বর্নালংকার নিয়ে যায়। নাগর ও তার সহযোগী আলমগীরের অত্যাচারে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ।
তারা গ্রামের অসহায় মানুষকে ফাদে ফেলে পুলিশ দিয়ে হয়রানি করে সর্বস্বান্ত করে। নাগর তার সিদ্ধি হাসিলের জন্য আলগীরকে ব্যবহার করে চাদাঁবাজি করিয়ে থাকে বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া নাগর জিন প্রতারণা করে সহজ সরল মানুষের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়।এছাড়া সে চিহ্নিত একজন ইয়াবা ব্যবসায়ী বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ ব্যাপারে স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুর রব কাজী বলেন, এ ঘটনায় আসামি আলমগীর সহ অন্যান্যরা গ্রেফতার হয়েছে এবং তাদেরকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে করা হয়েছে।