এ সময় একটি স্বর্ণের আংটি ও একটি উন্নত মানের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় গ্রামবাসীর মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। আহতরা হলো, ওই গ্রামের বাসিন্দা জাকির হোসেনের স্ত্রী রিমা আক্তার ও তার শিশু সন্তান জিহাদুল ইসলাম। বর্তমানে তারা শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। আহত রিমা জানান, ঘটনার দিন রবিবার রাতে তার সাথে জ্যা সালমা জাহানের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে উভয়ের মধ্যে বাক বিতন্ডা হয়। একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে সালমা জাহান তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে দা নিয়ে ধাওয়া করে।
এসময় সে মাটিতে লুটে পড়লে দা দিয়ে আঘাত করে। এতে সে গুরুতরে জখম হয়। এসময় সালমা জাহান তার কোলে থাকা শিশু সন্তানকে টেনে নিয়ে মাটিতে ফেলে দেয়। তার ডাক চিৎকারে স্থানীয়রা ঘটনাস্থল থেকে তাকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে তাৎক্ষণিক বাবুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। সেখানের চিকিৎসকরা তার অবস্থার অবনতি দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে।
তিনি অভিযোগ করে আরো বলেন,তার দেবর আরিফ হোসেন একজন সেনা সদস্য এবং তার জ্যা সালমা জাহান বাবুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্ব রত সিনিয়র স্টাফ নার্স। তাদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে সে ও তার পরিবার। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে আহতের স্বজনরা জানান।