স্টাফ রিপোর্টার।। বরিশাল নগরীর বাটারখাল এলাকায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে চিহ্নিত মাদক সম্রাজ্ঞি শিল্পীর নাটকীয়ভাবে হাসপাতালে ভর্তির অভিযোগ পাওয়া গেছে। অন্যদিকে সে মাদক বিক্রির প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তাকে মারধর করেছে বাটারখাল এলাকার বাসিন্দা বেবি ছেলে সাদ্দাম শাহ,তারেক শাহ, পুত্রবধূ হ্যাপি, বোন নাসিমা,মেয়ে রশনি, রাজ্জাক, তার স্ত্রী মিতু, মেয়ে ইন্নি, মুন্নি ও উজ্জ্বল সহ কয়েকজনকে জড়িয়ে মিথ্যা প্রচার চালাচ্ছে। সরেজমিনে অনুসন্ধানে জানা গেছে ওই এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী শিল্পীর সাথে মুন্নির দীর্ঘদিন ধরে পূর্ব শত্রুতা চলে আসছে। তারই সূত্র ধরে ঘটনার দিন বিকেলে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে উভয়ের মধ্যে কথার কাটাকাটি হয়। কিন্তু মুন্নি কে ঘায়েল করার জন্য তার নিজের মাথা দেয়ালের সাথে ঠুকে মাথা ফুলিয়ে নাটকীয় ভাবে হাসপাতালে ভর্তি হয়। কিন্তু সে গণমাধ্যমের কাছে মিথ্যা প্রচার করে বলছে তাদের মাদক বিক্রির প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তাকে বেবি ও মুন্নি সহ অন্যান্যরা মারধর করেছে। ফলে সে আহত হওয়ায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। এদিকে মুন্নি জানান, তার মেয়ে ইন্নির সাথে শিল্পীর ভাই মুন্নার প্রেমের মাধ্যমে বিয়ে হয়। বিয়ের পরে মুন্না ইন্নি কে যৌতুকের দাবিতে প্রায় সময়ই শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে। অসহায় ইন্নি কোন উপায় না পেয়ে তার প্রতিবেশী বেবির সহায়তায় বিয়ের ৩ মাস ব্যবধানে মুন্নার সাথে তার বিবাহ বিচ্ছেদ করতে বাধ্য হয়। বিচ্ছেদ করেও সে চলতে পারছে না রাস্তা ঘাটে।তার মুখে এসিড নিক্ষেপ সহ বিভিন্ন রকমের হুমকি ধামকি প্রদান করছে মুন্না ও তার বোন শিল্পী। এ ঘটনায় ইন্নির হতদরিদ্র,অসহায় বাবা রাজ্জাক মেয়ের জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করে। তারই সূত্র ধরে বেবি সহ অন্যান্যদের ফাঁসানোর চেষ্টায় মুন্নি নাটকীয় ভাবে শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এদিকে ইন্নির পরিবার তার মেয়েকে মুন্নার হাত থেকে বাঁচাতে প্রধানমন্ত্রীর সাহায্য কামনা করছে। অন্যদিকে বেবি ও ইন্নির পরিবার এ মিথ্যা ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায়।