স্টাফ রিপোর্টার: বরিশাল নগরীর রুপাতলী ২৪ নং ওয়ার্ডের শতবছরের পুরাতন সড়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নান খান সড়কটি আটকে দিল তারই পুত্র আবদুল্লাহ আল নাইম ওরফে রয়েল।
জানাগেছে, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের ২৪ নং ওয়ার্ডের রুপাতলী এলাকার শতবছর আগের পুরাতন সড়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নান খান সড়ক দিয়ে প্রতিদিন শতাধিক পথচারী ও স্কুলগামী শিশুরা যাতায়াত করে আসছিল।হঠাৎ রমজান মাসে একদিন সড়কটির মাঝে টিনের বেড়াদিয়ে আটকে দেয় বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নান খানের মাদক সেবী ছেলে আবদুল্লাহ আল নাইম ওরফে রয়েল। বিষয়টি নিয়ে এলাকাবাসী বিসিসির কাছে দ্বারস্থ হলে সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে দুপক্ষকে নিয়ে বিষয়টি সুরাহা করার জন্য আলোচনায় বসা হলে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নান খানের ছেলে আবদুল্লাহ আল নাইম ওরফে রয়েল ১ মাসের সময় নিয়ে কালক্ষেপন করতে থাকেন। অবশেষে ঈদের ছুটিতে অফিস আদালত বন্ধ হয়ে গেলে সেই সুযোগে রাতের আঁধারে শতাধিক শ্রমিক নিয়ে পাকাঘর নির্মান করে শতবছরের পুরাতন সড়কটি সম্পূর্ন বন্ধ করে দেয়।
এলাকাবাসীরা জানান, মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নান খানের ছেলে আবদুল্লাহ আল নাইম ওরফে রয়েল একজন মাদক সেবী।সে একের পর এক অপকর্ম করে যাচ্ছে।মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নান খান জনগনের উপকারার্থে এ পথটি দিয়ে সাধারন মানুষকে চলাচল করতে দিয়েছেন। তার জীবদ্দশায় তিনি কখনো এ পথটি বন্ধ করে দেননি।তার নামেই এ সড়কের নাম করন করা হয়েছে। তারই ছেলে পিতার সুনাম সুখ্যাতি ডুবাতে বসেছে। পিতার নামের সড়কটি ছেলে বন্ধ করে দিয়েছে।ইতিপূর্বে সে মরামুরগি বিক্রি করায় রুপাতলী বাজারে বসে গণধোলাই খেয়েছিল।ছয় মাস আগেও সে ভাড়ায় চালিত কার্ভাড ভ্যান চালাত এখন হঠাৎ আঙুল ফুলে কলাগাছ হয়ে টাকার জোরে শত বছরের পুরাতন সড়কটি চিরতরে বন্ধ করে দিয়েছে।
এ বিষয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নান খানের ছেলে আবদুল্লাহ আল নাইম ওরফে রয়েল এর কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, আমাদের বাড়ীর কবরস্থানে যাওয়ার জন্য আমরা পথ রেখেছিলাম সেটা দিয়ে তারা হাটাচলা করতো। এতদিন ফাকা ছিল তাই তারা হেটেছে।এখন আমার প্রয়োজন হওয়ায় আমি এখানে পাকা ঘর নির্মান করেছি।
এ বিষয়ে ২৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ফিরোজ আহম্মেদ বলেন, সড়কটি রয়েলদের বাড়ীর মধ্যে দিয়ে গেছে এবং সড়কের যায়গাটি রয়েলদের একথা সঠিক। তবে আমার জ্ঞান হওয়ার পর থেকে এই সড়কটি দিয়ে মানুষ যাতায়াত করতে দেখেছি। আমি নিজেও চাই জনগনের সুবিধার্থে এ সড়কটি চালু থাকুক।