স্টাফ রিপোর্টার
বরগুনার ৪ নং কেওড়া বুনিয়া ইউনিয়নে জমিজমা বিরোধের জের ধরে দুই প্রবাসী সহদরকে হত্যার চেষ্টায় এলোপাথাড়ি কুপিয়ে ও পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করেছে প্রতিপক্ষরা। এ সময় নগদ ১৩ লক্ষ টাকা ছিনিয়ে নেয় তারা বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় বরগুনা থানায় একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।
বুধবার (৭ফেব্রুয়ারী) সকাল পৌনে দশটায় ঘটবাড়িয়া জলিল হাওলাদার বাড়ির পশ্চিম পাশে সরকারি পাকা রাস্তার উপর এ হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলো ওই গ্রামের বাসিন্দা চানমিয়া হাওলাদারের ছেলে ও মালদ্বীপ প্রবাসী কবির হাওলাদার ও মনির হাওলাদার।
আহতদের মধ্য মনিরকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহত ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, ওই গ্রামের বাসিন্দা চানমিয়া হাওলাদারের সাথে একই গ্রামের লাল মিয়া হাওলাদারের দীর্ঘদিন ধরে জমি জমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। তার বড় ছেলে মালদ্বীপ ফেরৎ কবির বরগুনা পৌরসভাস্হ চরকলোনী সাকিনে ৪ শতাংশ জমি ক্রয় করার জন্য দেড় মাস পূর্বে বায়না করে। বিষয়টি লাল মিয়া হাওলাদার গং জেনে যায়।
তারই সূত্র ধরে ঘটনার দিন সকালে কবির বাড়ী থেকে বরগুনার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়ে পথিমধ্য রশিদ হাওলাদারের বাড়ির পশ্চিম পাশে সরকারী পাকা রাস্তার উপর পৌঁছালে পূর্ব থেকে ওৎ পেতে থাকা লাল মিয়া, ইব্রাহিম,তোতা মিয়া,ও সুমনসহ কয়েকজন তার পথ রোধ করে। একপর্যায়ে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে দা,শাবল, ও লোহার রড সহ দেশীয় অস্ত্র শস্ত্র দিয়ে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে ও পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে।
এ সময় তার ভাই মনির প্রতিবাদ করলে তাকেও কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। পরে স্থানীয়রা আহতদেরকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে তাৎক্ষণিক বরগুনা হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানের কর্তব্যরত চিকিৎসকরা মনিরকে বরিশাল শের-ই-মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে।এ ঘটনায় তার বাবা চান মিয়া বাদী হয়ে বরগুনা থানায় ৪ জনকে আসামি করে একটি এজাহার দায়ের করে। এ ব্যাপারে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান নসা বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি আমি ঘটনাস্থলে যাওয়ার পূর্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছে এবং এ ঘটনায় মামলাও হয়েছে।