স্টাফ রিপোর্টার।। পূর্ব শত্রুতার জের ধরে নগরীর ইন্দ্রকাঠী নয়গাও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এক শিক্ষার্থীর অভিভাবককে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে ওই স্কুলের সহকারী শিক্ষিকা লুৎফুন নাহারের বিরুদ্ধে।
অভিযোগ রয়েছে, লুৎফুন নাহার নবগ্রাম রোড এলাকার বাসিন্দা সুমন মোল্লার মেয়ে মাইশা আক্তার কে তার কাছে প্রাইভেট পড়ার জন্য বাধ্য করলে মাইশা লুৎফুন নাহার এর নিজের বাসা ২৩ নং ওয়ার্ডে সজীব ম্যানশনে গিয়ে নিয়মিত পড়া শুরু করে। কোচিং ছুটি দেয়ার পর সবাইকে ছেড়ে দিলেও মাইশা কে বসিয়ে রাখতেন লুৎফুন নাহার। তার ছেলে জাহিদুল ইসলাম সজিব মায়ের সামনে থেকে হাত ধরে টেনে নিয়ে যেতেন তার রুমে। মাইশাকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে হাত-পা বেধে ধর্ষণ করে। মুখ খুললে তাকে ও তার দুই বোনকে করা হবে হত্যা।এই ভয় দেখানোর ফলে সে ভয়তে কখনও মুখ খুলতে সাহস পায়নি। বাধ্য হয়ে ছেলের কথা মাকে জানালে সে মাথায় হাত বুলিয়ে তাকে তার পুত্রবধূ করে ঘরে তুলবে বলে সান্তনা দেন।
তারই সূত্র ধরে বুধবার মেয়েদের আনার জন্য মাইসার মা খাদিজা আক্তার স্কুলে যান। স্কুলের মূল ফটকের সামনে দাঁড়িয়ে অভিভাবকদের সাথে কথা বললে লুৎফুন নাহার পূর্বের ইস্যু ধরে দশম শ্রেণীর কয়েকজন ছাত্রকে দিয়ে তাকে লাঞ্ছিত করানোর অভিযোগ রয়েছে। খাদিজা বিষয়টি প্রধান শিক্ষক দীনেশচন্দ্র রায়ের কাছে জানাতে গেলে তিনি তাকে বলে ওঠেন স্কুল কমিটির সদস্য আনোয়ার হোসেন আপনার কোন কথা শুনতে মানা করেছে বলে বিষয়টি এড়িয়ে যান।
ঘটনার বিষয়ে প্রধান শিক্ষক দীনেশ চন্দ্র রায়ের সাথে আলাপ করলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান। তবে লিখিত অভিযোগ দিলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান কমিটির সদস্য আনোয়ার হোসেন। এ সময় প্রতিষ্ঠাতা সভাপতিও একই আশ্বাস দেন। এ ব্যাপারে লুৎফুন নাহারের কাছে জানতে চাইলে তিনি নিরপরাধ বলে জানান।
এ বিষয়ে সদর উপজেলা কর্মকর্তা দীপিকা বলেন, এ ব্যাপারে এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে কোন লিখিত অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ দিলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।