স্টাফ রিপোর্টার।।আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় না থাকা সত্ত্বেও থেমে নেই বরিশাল নৌবন্দরে টেম্পু-মাহিন্দ্র স্টানে কইতর সুমনের চাঁদাবাজি। চাঁদা না দেয়ায় বরিশাল নৌবন্দরে জেলা শ্রমিক দল নেতাকে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করেছে আওয়ামী লীগের দোসর কইতর সুমন ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী।
শনিবার (২৫অক্টোবর) বরিশাল নৌবন্দর ৩ নং গেইট সংলগ্ন এ হামলার ঘটনা। আহত ওই শ্রমিক নেতার নাম রাজিব খান। সে চাঁদমারি এলাকার বাসিন্দা মৃত: আবুল কালাম আজাদের ছেলে ও বরিশাল জেলা শ্রমিক দলের সদস্য। বর্তমানে সে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
আহত রাজিব জানান, ঘটনার দিন শনিবার সকালে চাঁদার জন্য কইতর সুমন ও তার লোকজন সাবু নামে এক মাহিন্দ্র চালককে মারধর করে। এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হলে নেতাকর্মীরা বিষয়টি সমাধান করার প্রতিশ্রুতি দিয় চলে যায়। তারই সূত্র ধরে ঘটনার দিন সকাল সোয়া ৭টায় কইতর সুমন মাংকি টুপি পড়ে সে সহ অজ্ঞাত আরো ১০-১৫ জন সন্ত্রাসী রাজিব কে হত্যার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। পরে স্থানীয়রা আহতকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে তাৎক্ষণিক শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। এদিকে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে সুমন মিথ্যা মামলা দিয়ে তাকে হয়রানি করছে। এ ব্যাপারে আহত রাজিব অভিযোগ করে আরো বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালীন সময় কইতর সুমন সিটি মেয়র সাদেক আব্দুল্লাহ নাম ভাঙ্গিয়ে টেম্পু-মাহিন্দ্র চালকদের কাছ থেকে করা হতো চাঁদাবাজি। প্রতিটি গাড়ি থেকে জামানত হিসেবে ১০ হাজার টাকা এবং প্রতিদিন ২ থেকে ৩ শত টাকা করে হাতিয়ে নিতেন। কেউ টাকা দিতে অস্বীকার করলে তাদেরকে হত্যা,হামলাও মামলার ভয়-ভীতি দেখানো হতো। এ ঘটনায় সুমন সহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়। এছাড়াও সুমনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা সহ একাধিক মামলা রয়েছে। সে বাটার খাল এলাকায় মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত।এ ব্যাপারে কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমানের মুঠো ফোনে ফোন করলে তার ফোন রিসিভ হয়নি। অপরদিকে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে প্রধান উপদেষ্টা ও সেনাবাহিনীর কাছে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার।