স্টাফ রিপোর্টার
উজিরপুর উপজেলার বামরাইল ইউনিয়নে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ছাত্রলীগ নেতার হামলায় মহিলা সহ একই পরিবারের ৪ জন গুরুতরা জখম হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে।
শুধু তাই নয় প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে বামরাইল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মেহেদী হাসান রাব্বি নাটকীয় ভাবে উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯ টায় ঘন্টেশ্বর গ্রামের ফকির বাড়িতে এ হামলার।
..আহতরা হলো, ওই গ্রামের বাসিন্দা রিয়াজ ফকিরের স্ত্রী তানিয়া বেগম,মা মানসুরা বেগম,ছেলে অলিউল হাসান, ও ভাই সুমন। বর্তমানে তারা বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
আহত ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, তার ও তার পরিবারের সাথে পার্শ্ববর্তী ছাত্রলীগ নেতা মেহেদী হাসান রাব্বির দীর্ঘদিন ধরে জমি জমা সহ পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। সেই বিরোধকে কেন্দ্র করে মেহেদী হাসান রাব্বি, তার বাবা আব্দুল হালিম ফকির, চাঁদনী বেগম, রাকি আক্তার ও মিজানসহ অজ্ঞাত আরও ৩-৪ জন আমাকেও আমার পরিবারকে মারধর করার চেষ্টা সহ বিভিন্ন রকমের ভয় ভীতি ও হুমকি ধামকি করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় ঘটনার দিন বৃহস্পতিবার সকালে মেহেদী হাসান রাব্বি সহ অন্যান্যরা দা লোহার রড ও লাঠি সোটা নিয়ে তার বশত ঘরের সামনে যায় এবং তাকে অশ্লীল ভাষায় গালমন্দ করে। এ সময় সে গালিগালাজ করতে নিষেধ করে। এক পর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে মেহেদী সহ অন্যান্যরা তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ধারালো অস্ত্র সহলাটি সোটা দিয়ে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করে। তার ডাক চিৎকার শুনে সুমন,মানসুরা,ও অলিউল হাসান ঘটনাস্থলে গেলে তাদেরকেও পিটিয়ে আহত করে। পরে স্থানীয়রা আহতদের কে উদ্ধার করে তাৎক্ষণিক বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। তিনি অভিযোগ করে আরো বলেন, ঘটনার সময় আমার গলায় ঢাকা একটি স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেয় তারা।
এছাড়াও গত দেড় বছর আগে মেহেদী আমাকে কু-প্রস্তাব দেয়। তার প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ঘরে ঢুকে সে আমাকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। সেই ঘটনায় নারী ও শিশু ট্রাইবুনাল আদালতে একটি মামলা দায়ের করি। এ ঘটনায় তানিয়া বেগম বাদী হয়ে ৫ জনকে আসামি করে উজিরপুর থানায় একটি এজাহার দায়ের করে।