নিজস্ব প্রতিবেদক
দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনে বরিশালে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের তৎপরতা শুরু হয়েছে। একাদশ জাতীয় সংসদে বিভাগের ছয় জেলায় তিনজন সংরক্ষিত এমপি ছিলেন। তবে এবার এক ডজন ক্ষমতাসীন দলের নেত্রীর নাম শোনা যাচ্ছে।
এদের মধ্যে কেউ আওয়ামী লীগের স্থানীয় শীর্ষ নেতার স্বজন, কেউ জনপ্রতিনিধির পত্নী কিংবা কেউ ছাত্রলীগের সাবেক নেত্রী। বর্তমানে সংরক্ষিত আসনের এমপি হতে বিভাগের নারী নেত্রীরা প্রধানমন্ত্রীসহ দলের উচ্চ পর্যায়ে যোগাযোগ করেছেন।
সূত্রে জানা গেছে, সাধারণত ছয়টি সংসদীয় আসনের বিপরীতে সংরক্ষিত আসনে একজন এমপি হন। সে হিসাবে বরিশাল বিভাগে ২১ সংসদীয় আসনের বিপরীতে কমপক্ষে তিন থেকে চারজন এমপি পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।
বিভাগের রাজনীতির কেন্দ্রস্থল হলো বরিশাল। একাদশ সংসদে জেলায় সংরক্ষিত এমপি ছিলেন দুজন। এরা হচ্ছেন সাবেক ছাত্রলীগ নেত্রী রুবিনা আক্তার মীরা ও ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন এমপির পত্নী লুৎফুন্নেছা খান।
তবে জাতীয় দ্বাদশ সংসদে বরিশাল সিটি মেয়রের পত্নী লুনা আব্দুল্লাহ, আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড. শাম্মী আহমেদ ও গৌরনদী উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দা মনিরুন নাহার মেরীর নাম শোনা গেছে।
এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটির সদস্য বলরাম পোদ্দার বলেন, ‘মেয়র পত্নী লুনা আব্দুল্লাহ নারী নেত্রী হিসেবে গত ১২ জুনের সিটি নির্বাচন ও ৭ জানুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে যে ভূমিকা রেখেছেন, তা হাইকমান্ডের নজরে এসেছে। বিভিন্ন জরিপেও লুনা আব্দুল্লাহর নাম শোনা যাচ্ছে। দ্বৈত নাগরিকত্বে মনোনয়ন বাতিল হওয়া আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড. শাম্মী আহমেদের নামও শোনা যাচ্ছে।
দ্বীপ জেলা ভোলায় জেলা আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক অধ্যক্ষ শাফিয়া খাতুন ও জেলা পরিষদের প্যানেল মেয়র ও যুব মহিলা লীগের আহ্বায়ক খাদিজা আক্তার স্বপ্না তৎপরতা শুরু করেছেন।
উপকূলীয় এলাকা পটুয়াখালীতে সংরক্ষিত এমপি ছিলেন সাবেক ছাত্রলীগ নেত্রী কাজী কানিজ সুলতানা। এবার জেলা থেকে মনোনয়ন চেয়েছেন আরেক সাবেক ছাত্রলীগ নেত্রী ঢাকা ভিকারুননিসা স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক তানজিদা খালেক তুলি।