নিজস্ব প্রতিবেদক: দক্ষিণাঞ্চলের সর্ববৃহৎ চিকিৎসা সেবা দানকারী সরকারী প্রতিষ্ঠান বরিশাল শের-ই- বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। ৪২ উপজেলার মানুষের ভরসার প্রতীক এটি৷ নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলো অতিক্রম করে প্রতিনিয়ত হাজার হাজার রোগীরা ছুটে আসেন।
তবে প্রত্যাশা সুচিকিৎসা থাকলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে তার বদলে হয়রাণীর চিত্রই নানা মাধ্যমে ফুটে ওঠে।
এছাড়া হাসপাতালটির সার্বিক বিষয়ের ব্যবস্থাপনায়ও রয়েছে নানান ক্রুটি।।
কর্তৃপক্ষের দ্বায়সারা তদারকি আর যথাযথ ব্যবস্থাপনার অভাবে দক্ষিণের সর্ববৃহৎ এ চিকিৎসা সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম ম্লান হচ্ছে।
সম্প্রতি এক চিকিৎসকের কক্ষে রোগী দেখাকালীন চিকিতসকের ভুমিকায় দেখা হচ্ছে দুজন ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধির।
নিয়মানুযায়ী দুপুর ১ টার পর চিকিৎসকদের সাথে দেখা করতে পারবেন কোম্পানির প্রতিনিধিরা।
তবে হাসপাতালটির শিশু সার্জারীর (বহি:র্বিভাগে) আবাসিক সার্জন ডা: শেখ মো: আব্দুর রাজ্জাকের কক্ষে নিয়মের এ চিত্রটি ব্যতিক্রম।
তার কক্ষে নিয়মিত সকাল ১০ টা থেকে দেখা যাচ্ছে ওষুধ কোম্পানির দুই প্রতিনিধির।
অভিযুক্ত সেই দুই প্রতিনিধি হলেন ইন্ডিয়ান একটি কোম্পানির মো: ফিরোজ ও বাকফো বাংলাদেশ ইউনানী কোম্পানির সাজু৷
নির্ধারিত সময়কে তোয়াক্কা না করে হাসপাতালের চিকিৎসকের কক্ষে প্রবেশ করে নিজেদের স্বার্থ সিদ্ধি করছে ঐ দুজন বলে জানা গেছে।
যার একটি ভিডিও হাতে এসেছে প্রতিবেদকের।
জানা গেছে, ফিরোজ ও সাজু নিয়মিত সকাল ১০ টার পর ডাক্তারের সাথেই অবস্থান করেন।
রোগীদের ব্যবস্থাপত্রে ডাক্তারদের দেয়া ওষুধের মধ্যে সরকার কর্তৃক বিনামুল্যের ওষুধের শর্ট স্লিপ লিখে দেন তারা।
অথচ এ দায়িত্ব চিকিৎসকের কক্ষের দায়িত্বরত সহকারীর৷
এছাড়া অভিযোগ রয়েছে, রোগীদের ব্যবস্থাপত্র লিখে দেয়ার পর তারা ছবি তুলে রাখেন।বিভিন্ন সময়ে রোগীরা এতে ক্ষোভ প্রকাশও করেছেন।
এ বিষয় জানতে শেবাচিম হাসপাতালের সার্জারীর (বহি:র্বিভাগে) আবাসিক সার্জন ডা: শেখ মো: আব্দুর রাজ্জাকের মুঠোফোনে সংযোগের চেষ্টা করা হলেও তা ব্যর্থ হয়।
এ বিষয়ে হাসপাতালের পরিচালক ডা: এইচ এম সাইফুল ইসলামের বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।