১৩ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ রাত ৮:৪০
শিরোনামঃ
ভাটিখানায় সংখ্যালঘু পরিবারের উপর হামলা,আহত-৩ ডা: অমলেন্দু ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে কর্মস্থলে অনিয়ম ও সরকারি দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ নলছিটিতে বৃদ্ধাকে কুপিয়ে হত্যা চেষ্টা’র অভিযোগ। বরিশালে পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হিজলায় ককটেল ফাটিয়ে রক্তক্ষয়ী হামলা! বিএনপির আহ্বায়কসহ ২০ নেতাকর্মী জখমের অভিযোগ কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে বরিশালে ফ্যাসিস্ট সিভিল সার্জনের অপসারণের দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। শেবাচিমে অটোরিকশা সহ চোর আটক  বানারিপাড়ায় বৃদ্ধার হাত ভেঙে দিয়েছে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের পুলিশ সদস্য মাসুদ ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী। শাপলা চত্বর হত্যার তদন্ত প্রতিবেদন প্রসিকিউশনের হাতে, প্রধান আসামি হাসিনা কীর্তনখোলার তীরে অবৈধ দোকানপাট,কাঁচা বাজার আড়ৎদারদের ভোগান্তি- ট্রাক পাকিং ব্যাহত” ঝুঁকিতে পথচারী

বরিশালে ঠান্ডাজনিত রোগে ১১৫ শিশুর মৃত্যু

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ শুক্রবার, ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৪,
  • 385 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

বরিশালে অবিরত তীব্র শীতে ঠান্ডাজনিত রোগে বরিশাল শের-ই বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১১৫ রোগীর মৃত্যু হয়েছে। জানুয়ারি মাসের প্রথম ২৫ দিনে তারা শেবাচিম হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে হাসপাতাল সূত্র এ তথ্য বরিশালটাইমসকে নিশ্চিত করেছে। এছাড়া স্বাস্থ্য বিভাগের হিসাব মতে শেবাচিম হাসপাতালের বাইরেও বরিশাল বিভাগের অন্য সরকারি হাসপাতালে জানুয়ারি মাসজুড়ে চার রোগীর মৃত্যু হয়েছে।

হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে এক থেকে ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত এ হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১১৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে শীতজনিত নানা রোগে আক্রান্ত পাঁচ হাজার ২৮৫টি শিশু এই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মারা যাওয়া শিশুদের অধিকাংশই ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত ছিল।

বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে শেবাচিম হাসপাতালের বাইরে ও ৬ জেলা সদরের হাসপাতালসহ ৪২ উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছে ৫ হাজার ১৪৪ রোগী। এদের মধ্যে মারা গেছেন চারজন।

শিশু ওয়ার্ডের সেবিকারা জানান, হাসপাতালে ভর্তি হওয়া শিশুদের অধিকাংশ ঠান্ডাজনিত রোগ নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া, ব্রঙ্কাইটিস, অ্যাজমা, শ্বাসকষ্ট, শ্বাসতন্ত্রের বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত। একারণে হাসপাতালে শয্যা সঙ্কট দেখা দিয়েছে। তাই মেঝেতে শুইয়ে শিশুদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক শ্যামল কৃষ্ণ মণ্ডল বলেন, শীত মৌসুমে কুয়াশায় মিশে থাকা ধূলিকণা ফুসফুসে প্রবেশ করে। তাই আগের চেয়ে এ বছর বেশি মানুষ ফুসফুসের সমস্যা ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে আসছেন।

এ কারণে বাইরে বের হলে অবশ্যই মাস্ক পরে বের হতে হবে। শিশুদের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতার পাশাপাশি গরম কাপড় ও মাস্ক পরাতে হবে।’

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...
© All rights reserved © 2022
Developed By Engineerbd.net
EngineerBD-Jowfhowo