স্টাফ রিপোর্টার।। বরিশাল রায়পাশা কড়াপুর ইউনিয়নে জমি জমা বিরোধের জের ধরে ৩ দফায় হামলা চালিয়ে বৃদ্ধ ও শিশু সহ একই পরিবারের ৭ জনকে গুরুতর করেছে প্রতিপক্ষরা। এ সময় ঘর ভাংচুর,নগদ অর্থ, স্বর্ণালংকার, ও মালামাল লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
শুক্রবার সকাল ৯ টা থেকে বিকেল সাড়ে ৫ টা পর্যন্ত কুলাকানা গ্রামে এ হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন ওই গ্রামের বাসিন্দা রফিক কাজী (৪৬),তার বাবা ইউনুস কাজী (৭০),স্ত্রী ফাতেমা আক্তার,(৩৮)মেয়ে মারিয়া আক্তার (২৫),হুমায়রা আফরিন (১০), তানিশা আক্তার (৭),ও দেবর সাইফুল কাজী (৩৯)। বর্তমানে তারা শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
আহত সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ফাতেমা আক্তারের শ্বশুর ইউনুস কাজীর জমিতে গাছ নারিকেল গাছসহ বিভিন্ন ধরনের গাছ লাগিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ভোগ দখল করে আসছে পার্শ্ববর্তী চাচা শ্বশুর নুরুল ইসলাম কাজী গং। তারই সূত্র ধরে ঘটনার দিন শুক্রবার সকাল ৯ টায় ফাতেমা তার ঘরের ভিতরে বাওয়া নারিকেল গাছের বাইল ছেটে দেয়। একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে নুরুজ্জামানের মা তাসলিমা তাকে বেধড়ক মারধর করে। তাসলিমা বিষয়টি তার পরিবারকে জানালে নুরুজ্জামান, রাসেল, রায়হান, নুরুল ইসলাম কাজী ও কাকলি সহ অজ্ঞাত ও আরো ৫-৭ জন লাঠি সোটা দিয়ে তার পরিবারের উপর দ্বিতীয় দফায় হামলা চালায়। এতে ফাতেমা সহ অন্যান্যরা গুরুতর জখম হয়। তৃতীয় দফায় বিকেল সাড়ে ৫ টায় দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাদের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে বৃদ্ধ ও শিশুসহ ৭জন জখম হয়। এ সময় প্রতিপক্ষরা হামলা ঢালিয়ে ঘর ভাঙচুর, নগদ অর্থ স্বর্ণালংকার ও মালামাল লুটপাট চালায় বলে অভিযোগ রয়েছে। ফাতেমা ৯৯৯-এ ফোন করেও পায়নি কোন সুফল।
অপরদিকে আহতদের ডাক চিৎকার শুনে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে আহতদের কে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে তাৎক্ষণিক শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ব্যাপারে প্রধান উপদেষ্টা ও সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন মহলে সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার।